নিউজ ডেস্ক

চৌদ্দগ্রামে ঘুর্ণিঝড় মিধিলির আঘাতে খাদ্য গুদামের গাছ পড়ে অসহায় একটি পরিবারের ব্যাপক ক্ষতি

জহিরুল ইসলাম সুমন কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঘুর্ণিঝড় মিধিলির আঘাতে খাদ্য গুদামের বিশাল আকৃতির একটি কড়ই গাছ পড়ে গুদামের সীমানা প্রাচীর ভেংগে পাশের বাড়ীর রফিকুল ইসলাম পাটোয়ারীর একটি টিনশেড ঘর দুমড়ে-মুচড়ে গেছে এবং অপর একটি সেমি পাকা ঘরে ফাটলধরাসহ ঘরের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় লক্ষাধিক টাকা। ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধিন পূর্ব চাঁন্দিশকরা এলাকার সরকারি খাদ্য ঘুদাম সংলগ্ন রফিক পাটৌযারীর বাড়িতে। ভেঙ্গে পড়া গাছটি সরিয়ে না নেয়া ছেলে সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন পরিবারটি।এ ঘটনায় দ্রুত গাছটি সরিয়ে নিতে এবং ক্ষতিপূরণ দাবী করে ভুক্তভোগি রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।

রফিকুল ইসলাম জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘুর্ণিঝড় মিধিলির আঘাতে চৌদ্দগ্রাম সরকারি
খাদ্য গুদামের একটি বড় কড়ই গাছ পড়ে আমার একটি টিনশেড ঘর দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এছাড়া একটি সেমি পাকা ঘরের দেয়ালের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরা সহ ঘরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র ভেঙ্গে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গাছটি ভেঙ্গে পড়ার পর প্রায় ১ সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও সরকারি খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ এখনো পরিত্যাক্ত ওই গাছটি সরিয়ে না নেয়ায় ভেঙ্গে পড়া ঘরটি মেরামত করতে পারছিনা। যারফলে পরিবার নিয়ে নিজঘরে বসবাস করাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরও তারা এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এ সময় তিনি ক্ষতিপূরণ চেয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম সরকারি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আনোয়ার হোসেন সিরাজী বলেন, ‘ঘুর্ণিঝড় মিধিলির আঘাতে গুদামের একটি বিশাল আকৃতির গাছ পড়ে সীমানা প্রাচীরের একটি অংশ ভেঙ্গে গেছে। এতে পাশের বাড়ীর রফিক নামে এক ব্যক্তির টিনের ঘর ভেঙ্গে যাওয়া সহ আরো ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ উর্ধ্বত্বন মহলে লিখিতভাবে জানিয়েছি।

এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর হোসেন বলেন, গাছ পড়ে সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গার বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষ। কারো ঘর ভাঙ্গার বিষয়টি আমাকে জানানো হয়নি। এখন আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য সহযোগিতা করা হবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন