
রিফোর্টার :মোনতাহেরুল হক আমিন:
বন্যা, ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বাঁশখালীর বিভিন্ন ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভেঙে গেছে রাস্তাঘাট। ক্ষেত ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ভেসে গেছে পুকুর ও প্রজেক্টের মাছ। বাঁশখালীতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পুইছড়ি, পুকুরিয়া, ছনুয়া, সেখেরখীল, বড়ঘোনা, গন্ডামারা, সরল, সাধনপুর ও খানখানাবাদ এলাকা।
তাছাড়া পৌরসভার জলদীতেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ভারি বর্ষণে ময়লা বর্জের ডিপু তলিয়ে গিয়েও পুরো এলাকা বর্জ্য ও ময়লাময় হয়ে গেছে। এতে ফসল এবং রাস্তাঘাতের ক্ষতি হয়েছে। দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এলাকায়। নষ্ট হয়েছে বন বিভাগের নার্সারী। মরে গেছে কয়েক লাখ চারা।
পুইছড়ি এলাকার স্থানীয় তাজুল ইসলাম পলাশ জানান, বাঁশখালীর পুইছড়িতে বন্যা ও ভারি বর্ষণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাহাড়ি ঢলে ভেসে গেছে ক্ষেত ফসল ও সড়ক।
পূর্ব পুইছড়ি এলাকার নাইতা বিল, বছিরাবাড়ি, ছেনু মার্কেট, মোজাফফর আহমদ সড়ক, ফরেস্ট অফিস সড়ক, বি আলম চৌধুরী সড়ক, হাব্বান আলী সড়ক, দক্ষিণ পাড়া পাড়া সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত। পুইছড়িতে অন্তত ৫০টি ঘরবাড়ি দেড় শতাধিক পানের বরজ এবং কয়েক হাজার একরের কৃষকের ক্ষেত ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।
সাধনপুর ইউপি চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন কামাল জানান, সাধনপুরের পাহাড়ি এলাকায় বেশ কয়েকটি কাঁচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাছাড়া ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
খানখানাবাদ ইউনিয়নের মেম্বার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, খানখানাবাদ ইউনিয়নে সাগরের বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। প্রেমাশিয়া, কদমরসুল সীমানায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে পুরো এলাকা তলিয়ে গেছে। এতে ঘরবাড়ি রাস্তাঘাট ও ফসলের ক্ষতি হয়েছে।
বাঁশখালী উপজেলা কৃষি অফিসার আবু ছালেক জানান, বাঁশখালীতে বন্যা ও ভারি বর্ষণে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কৃষি ও কৃষকের।
বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন আক্তার জানান, সারা দেশের ন্যায় বাঁশখালীতেও বন্যা এবং ভারি বর্ষণের প্রভাব পড়েছে। অনেক গ্রামীণ সড়ক নষ্ট হয়েছে। বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।










