প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ২৪, ২০২৬, ৭:৩০ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ২৬, ২০২৪, ৩:৪৮ পি.এম
পটিয়ায় যুবদল নেতাকে ফাঁসাতে অভিনব অভিযোগ
পটিয়া প্রতিনিধিঃ
পটিয়ায় এস. এম. রেজা রিপন নামের এক যুবদল নেতাকে ফাঁসাতে পটিয়া পৌরসভার পিয়ন নাজিম উদ্দীন তার স্ত্রী আয়েশা আকতারকে দিয়ে পটিয়া ও কর্ণফুলী থানায় অভিনব কায়দায় প্রতারণামূলক দুইটি অভিযোগ দায়ের করেছে। গত ২৪ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১২টায় পটিয়া পৌরসভাধীন পৌরসভা কার্যালয়ে মেইন গেট সংলগ্ন আরকান সড়কের উত্তর পাশে ঘটনাস্থল দেখিয়ে পটিয়া থানায় একটি অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগটি তদন্ত করছে এসআই আসাদুজ্জামান। একই ঘটনায় পরবর্তীতে কর্ণফুলী থানায় উক্ত বাদী আরেকটি অভিযোগ দায়ের করে। এতে ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে কর্ণফুলী থানাধীন ভেল্লাপাড়া ব্রিজের ওপর আরাকান সড়ক। দু'টি অভিযোগের বিষয়বস্তু ও বর্ননা একই।
পটিয়া থানায় অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যুবদল নেতা এসএম রেজা রিপন আয়েশা আকতার এর স্বামীর চালিত নাজিম উদ্দিনের একটি টয়েটা > সেলুন কার পটিয়া পৌরসভার মেইন গেট থেকে ছিনতাই করে নিয়ে যায়। অন্যদিকে কর্ণফুলী থানার অভিযোগে উল্লেখ করা হয় আয়েশা আকতারের
স্বামী নাজিম উদ্দীনের চালিত টয়েটা সেলুন কার নিয়ে স্বামীসহ চট্টগ্রাম শহরে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে আরাকান সড়কের ভেল্লাপাড়া ব্রিজের সন্নিকটে পৌঁছলে এসএম রেজা রিপন, মো. রবিন, উদ্দীন আজিম সুমন ৪ জন গতিরোধ করে গাড়িটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
একই সময়ে একই ঘটনায় দুইটি ঘটনাস্থল দেখিয়ে দুইটি থানায় অভিনব অভিযোগ দেখে বেকাদায় পড়েছে পুলিশ। কর্ণফুলী থানার অভিযোগটি তদন্ত করছেন এসআই মোবারক হোসেন।
এ ব্যাপারে পৌরসভা যুবদল নেতা এসএম রেজা রিপন জানান- সে পটিয়া পৌরসভার ঠিকাদারি কাজ করা কালিন পৌরসভার সাবেক সহকারী হিসাব রক্ষক নাজিম উদ্দীন প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে মেয়র ও সচিব-এর স্বাক্ষর জাল করে পৌরসভার নামে ভিন্ন একাউন্ট খোলে ঠিকাদারসহ বিভিন্ন খাতে লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করেন। এর মধ্যে রিপনের ১৮ লাখ টাকা রয়েছে। এই টাকার ব্যাপারে সাবেক মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ ও আইয়ুব বাবুলকে জানালেও তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি।-
সম্প্রতি পটিয়া পৌরসভা বিএনপি'র আহবায়ক নুরুল ইসলামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানানো হলে তারা টাকা পরিশোধে নাজিম উদ্দীনকে চাপ প্রয়োগ করায় নাজিম উদ্দীন পুনরায় প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তার স্ত্রীকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে।
এ ব্যাপারে পটিয়া থানার এসআই আসাদুজ্জামান জানান, একই সময়ে একই ঘটনায় দুটি থানায় দুটি অভিযোগ দায়ের বিষয়টি প্রতারনা বলে মনে হচ্ছে।
Copyright © 2026 Chattol Voice. All rights reserved.