মোঃ সোহেল,চকরিয়া প্রতিনিধিঃ
গত ৪জুন বৃহত্তর চট্টগ্রামের আঞ্চলিক পত্রিকা দৈনিক আজাদী"তে প্রকাশিত "চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য- প্রতিরাতেই টিলা কেটে মাটি লুট" শিরোনামের সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ওই সংবাদের একাংশে উল্লেখ করা হয়েছে- চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের উত্তর হারবাংস্থ পশ্চিম বৃন্দাবনখিল এলাকায় চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতর থেকে মাটি কেটে ডাম্পার যোগে অন্যত্র বিক্রি করে পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। এতে আরো উল্লেখ ছিলো- বনবিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই পরিবেশবিধ্বংসী এই কর্মকাণ্ড সংঘটিত করা হচ্ছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদীত। সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে কোন কুচক্রীমহল এমন মিথ্যা সংবাদটি পরিবেশন করিয়েছে। যে জায়গাটি থেকে মাটি কাটা হয়েছে তা মূলত হারবাং বৃন্দাবনখীল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের নামে খাস খতিয়ানভুক্ত জমি। যার খাস দখলীয় আর.এস খতিয়ান নং-১১৫৭ ও বি.এস খতিয়ান নং-১৭৬ এবং বিএস দাগ নং- ২৬১৪। ৩৪০৫ নং দলিলের আর.এস দাগ ১১৬৫, ১৭৬৫/খ-৪৪৫, ১৮৮৭ নং দাগের আন্দর ৫৭ শতক জায়গা। মসজিদ নির্মাণের জন্য মাটির নিচের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর তলা ভরাট করতে ওই মসজিদের নামে খাস খতিয়ানভুক্ত জমি থেকেই মাটি কাটা হয়েছে। এমনকি, চলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে উক্ত জায়গা থেকে মসজিদের তলা ভরাটের জন্য মসজিদের নামে খাস খতিয়ানভুক্ত জমি থেকে মাটি কাটার পূর্বে অনুমতি চেয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি আবেদন করা হয় এবং আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি প্যাডে অনুমতিও দেন। এরপরও, এসব কিছু না জেনেই দৈনিক আজাদী পত্রিকায় সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। যা কখনো কাম্য নয়। আমরা মসজিদ পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে এমন মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদীত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী-
সভাপতি- আতাউর রহমান বরকত মিয়া
সাধারণ সম্পাদক- মাহমুদুল হক
উত্তর হারবাং বৃন্দাবনখীল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ।