বিভাগীয় বিশেষ প্রতিনিধিঃ
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির আহবায়ক সাবেক মন্ত্রী আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান ও সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক এনামুল হক এনাম এবং বি এম পির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খন্দকার বিএনপি'র কেন্দ্রীয় সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী , মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডাক্তার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও সিনিয়ার নেতৃবৃন্দদের সাথে এডভোকেট লোকমান শাহ আলাপ-আলোচনা করে থাকেন।
দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা মনে করে অতীত আন্দোলনে ব্যর্থ হওয়ার পিছনে নেতৃত্বের দুর্বলতা কে দায়ী করছেন। তারা মনে করেন নেতৃত্ব পরিবর্তন জরুরি। অতীতের নেতৃত্বকে তারা সম্মান রেখে বলতে চান আগামীতে প্রবীন এবং নবীনের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হলে সাংগঠনিক অবস্থা সুসংঘটিত হবে বলে মনে করেন। আগামীতে যে কমিটি হবে সেই কমিটিতে জেল জুলুম নির্যাতন রাজপথে থেকে সরকারবিরোধী আন্দোলন করেছে তাদেরকেই মূল্যায়ন করা হবে।নতুন কমিটিকে দায়িত্ব নিয়ে জেলার আওতাধীন সকল উপজেলা পৌরসভা ইউনিয়ন ওয়ার্ড পর্যায়ে পর্যন্ত তাগীদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হবে। যাতে আগামীতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে আন্দোলন চালিয়ে যেতে পারে। দক্ষিণ জেলা বিএনপিতে নিয়মিত তৃণমূল পর্যায় এবং শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সাথে যোগাযোগ রেখে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। সুসংগঠিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।নেতৃত্ব পেলে সঠিক নেতৃত্ব দিতে পিছপা হবো না।দলের সিনিয়রা যেটা ডিসিশন দিবে সেটাই মেনে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব নেতৃবৃন্দ সকল ত্যাগী নেতাকর্মী ও সম্মানিত সিনিয়র নেতৃবৃন্দের দোয়া সমর্থন ও সহযোগিতা চাই।