নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
২০১৭ সালের ২০শে জুন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তৎকালীন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের একটি উন্মুক্ত আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এই আলোচনা সভার প্রধান বিষয় ছিল নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যা দীর্ঘদিনের একটি জটিল সমস্যা, যা বর্ষাকালে বিশেষভাবে প্রকট আকার ধারণ করে। আলোচনা সভায় মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন জলাবদ্ধতার কারণ ও এর প্রতিকার নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, "চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যা মূলত অবকাঠামোগত দুর্বলতা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, এবং বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবের কারণে সৃষ্টি হয়।" তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সমস্যার সমাধানে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
মেয়র নাছির উদ্দীন জলাবদ্ধতা নিরসনে তার গৃহীত পদক্ষেপগুলোর কথা তুলে ধরেন। তার মেয়াদে শুরু হওয়া বেশ কিছু প্রকল্পের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ড্রেনেজ সিস্টেম উন্নয়ন, খাল পুনঃখনন, এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন। তিনি বলেন, "নগরীর বিভিন্ন খাল দখলমুক্ত করে পানি নিষ্কাশনের উপযোগী করে তোলার কাজ চলছে। এছাড়াও, বিভিন্ন স্থানে নতুন ড্রেন নির্মাণ এবং পুরনো ড্রেনের সংস্কার কাজও চলছে।"
আলোচনা সভায় নাগরিকদের প্রতিক্রিয়া ও পরামর্শ গ্রহণ করে মেয়র নাছির উদ্দীন বলেন, "নাগরিকদের সহযোগিতা ও সচেতনতা ছাড়া এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।" তিনি সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান এবং বলেন, "জনগণের সহযোগিতায় আমরা অবশ্যই চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতা মুক্ত করতে পারব।"
মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের এই উদ্যোগ ও তার উন্মুক্ত আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে আশার সঞ্চার করে। তার এই প্রচেষ্টা নগরীর উন্নয়নে তার প্রতিশ্রুতি ও কাজের প্রতি আন্তরিকতার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়।অনু্ষ্ঠানটি চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছিল,তাতে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের মহাসচিব হিসেবে পুরো অনুষ্ঠানটি আমি পরিচালনা করেছিলাম। এই অনুষ্ঠান থেকে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনকে প্রতি মন্ত্রী'র পদমর্যাদা দেওয়ার প্রথম প্রস্তাব আমি করেছিলাম।
আজ ২০২৪ সালের ২০ শে জুন, বিগত ২০১৭ সালের ২০ শে জুনের স্মৃতিময় দুলর্ভ ছবিটা ফেইসবুকের বদৌলতে ফিরে আসছে।