প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ২৫, ২০২৬, ৭:৫৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ২৯, ২০২৪, ৬:৩০ পি.এম
চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ২৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ আদায় দাবীকৃত আরো ৭৫ লাখের জন্য হত্যার হুমকি অভিযোগ-মো. কামাল উদ্দিন

ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত দাবির শিকার চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার জামালখান এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন, এবং মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্রের বিরুদ্ধে। ব্যবসায়ী মোঃ নূরুল আমিন জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা তাকে ফাঁদে ফেলে, তার চোখ-মুখ বেঁধে নির্জন কক্ষে আটকে রেখে মারধর করে এবং অর্থ আদায়ের জন্য ব্ল্যাকমেইলিং করে।
ভুক্তভোগী নূরুল আমিনের অভিযোগ, মাসুদ নামে এক ব্যক্তি নিজেকে প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তাদের সহযোগী পরিচয় দিয়ে তার সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে এবং ব্যবসায়িক প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলে। এরপর ৩ সেপ্টেম্বর মাসুদের ড্রাইভার শাকিলের মাধ্যমে নূরুল আমিনকে পাথরঘাটার জসিম টাওয়ারে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পরপরই নূরুল আমিন এবং তার পার্টনার জাবেদ হোসেনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মারধর করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়।
অভিযোগে জানা যায়, নির্যাতনের সময় নূরুল আমিনকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করা হয় এবং এই ভিডিও ব্যবহার করে তাকে আরো ৭৫ লাখ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। অভিযুক্তরা বারবার তাকে ও তার পরিবারকে শারীরিক ও মানসিক হুমকি দিয়ে আসছে। নূরুল আমিন জানিয়েছেন, অভিযুক্ত মাসুদ এবং তার সহযোগীরা তাকে জানান, অবশিষ্ট ৭৫ লাখ টাকা না দিলে তার মেয়ে ও স্ত্রীকে অপহরণ করবে এবং ধারণকৃত আপত্তিকর ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেবে।
পুলিশের হস্তক্ষেপ দাবি: ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নূরুল আমিন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কাছে দ্রুত আইনি সহায়তার জন্য আবেদন করেছেন। তিনি এ বিষয়ে পুলিশ কমিশনারের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যেন এই অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। পুলিশের বক্তব্য: এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোতোয়ালী থানা পুলিশ জানায়, বিষয়টি তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং দ্রুতই দোষীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ধরনের অপহরণ ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের ঘটনা চট্টগ্রামে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকলে এ ধরনের অপরাধ আরও বৃদ্ধি পাবে কি না।
এই বিষয়টি পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি), সেনাবাহিনী এবং র্যাব-৭ সহ বিভিন্ন সংস্থায় নুরুল অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে কোতোয়ালি থানার ওসি ফজলুল কাদের চৌধুরী আমিনের অপহরণের বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে কাজ করছেন। তিনি বিষয়টি তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তথ্য সংগ্রহ করছেন। আশা করা যায়, এই পদক্ষেপের ফলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অপহরণের ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা অনেকটা আশার আলো দেখাচ্ছে। তবে, মাসুদ এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হলে আরও সক্রিয় তদন্ত প্রয়োজন। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, এবং অপরাধীদের শাস্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরলস প্রচেষ্টা অপরিহার্য।
এই বিষয়টি পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি), সেনাবাহিনী এবং র্যাব-৭ সহ বিভিন্ন সংস্থায় নুরুল অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে কোতোয়ালি থানার ওসি ফজলুল কাদের চৌধুরী আমিনের অপহরণের বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে কাজ করছেন। তিনি বিষয়টি তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তথ্য সংগ্রহ করছেন। আশা করা যায়, এই পদক্ষেপের ফলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অপহরণের ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা অনেকটা আশার আলো দেখাচ্ছে। তবে, মাসুদ এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হলে আরও সক্রিয় তদন্ত প্রয়োজন। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, এবং অপরাধীদের শাস্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরলস প্রচেষ্টা অপরিহার্য।
Copyright © 2026 Chattol Voice. All rights reserved.