নিউজ ডেস্ক

সংখ্যালঘু স্বীকৃতি আদায় ও সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রনয়নের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

অভি পাল(প্রতিনিধি)

সংখ্যালঘু স্বীকৃতি আদায় ও সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রনয়নের দাবীতে ২৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকাল ৩ টায়বিএসপি চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যেগে চট্টগ্রাম আন্দরকিল্লা মোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিএসপি চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আহ্বায়ক নারায়ণ মজুমদারের সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসপি  কেন্দ্রীয় কমিটির  সভাপতি আশিষ কুমার দাশ প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুমন কুমার রায় ।

কেন্দ্রীয় কমিটির  সভাপতি আশিষ কুমার দাশ বলেন , ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে ভাষা আন্দোলন পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সমূহে এদেশের সংখ্যালঘুরা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে প্রিয় মাতৃভূমিতে অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ সরকারকে ক্ষমতায় বহাল রাখতে যুগযুগ ধরে বংশ পরম্পরায় বর্তমান আওয়ামী লীগ দল এবং সরকারকে সমর্থন দিয়ে এসেছে। এজন্য সংখ্যালঘুদের দিতে হয়েছে চরম মূল্য। প্রতিক্রীয়াশীল সাম্প্রদায়িক শক্তির রোষানলে অনেককে নির্মম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। জীবন দিতে হয়েছে, সহায় সম্পদ মা- বোনের ইজ্জত পর্যন্ত খোঁয়াতে হয়েছে। অনেকে দেশান্তরে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫০ বছর অতিক্রান্ত হবার পরও অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ স্বাধীন সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতার থাকার পরেও প্রতিনিয়ত এদেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতন নীপীড়ন, বঞ্চনা ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। তাই সব কিছুর আগে আগামী জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংখ্যালঘুদের প্রানের দাবী এবং সময়োপযোগী দাবী ‘সংখ্যালঘু স্বীকৃতি’ সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এরপরে সংখ্যালঘু কমিশন, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন, সংখ্যালঘু মন্ত্রনালয়, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পন আইন বাস্তবায়ন সহ সকল দাবী কার্যকর করতে হবে।

বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (বি.এস.পি)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারন সম্পাদক এ্যাড. সুমন কুমার রায় বলেন – বর্তমান সরকার ডেঙ্গু ও দ্রব্য মূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে যেমন ব্যর্থ হয়েছেন তেমনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিরাপত্তা দিতে সরকার সম্পূর্ণ ভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। বর্তমান সরকারের আমলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সবচেয়ে বেশি অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, কিন্তু সরকার নির্বাক, চোখে কালো চশমা পড়ে আছে। পাকিস্তান আমলে ও সংখ্যালঘুরা এতো নিরাপত্তা হীনতাবোধ করেনি, এতো মঠ-মন্দির ভাংচুর হয় নাই, জায়গা-জমি দখল হয়নি। সংখ্যালঘু সহ রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকার তথা রাষ্ট্রের অনতি বিলম্বে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রনয়ণ করে আওয়ামীলীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জোর দাবী জানান। অনতি বিলম্বে সুরক্ষা আইন প্রণয়নের জন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ডাক্তার রূপকনকান্তি দেবনাথ  চট্টগ্রাম মহানগর সদস্য সচিব অজয় ভট্টাচার্য, এডভোকেট সন্জয় চক্রবর্তী, সাংবাদিক অভি পাল, নয়ন বিশ্বাংগ্রী,মিঠুন রায়,রাজেশ চক্রবত্তী,রাজু আচার্য,গৌরাঙ্গ দে, নিউটন চৌধুরী বাদশা দাশ,সঞ্জয় দাশ,হৃদয় দাশ প্রমুখ

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন