উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম নগরে রাতভর বৃষ্টিপাত হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে নগরের বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি জমে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে সকালেও ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ ও পথচারীরা।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় নগরের মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ, জিইসি, প্রবর্তকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। কোনো কোনো স্থানে হাঁটুসমান পানি থাকায় যানবাহন চলাচল ধীর হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে জমে থাকা পানি পেরিয়েই গন্তব্যে যেতে হচ্ছে পথচারীদের।
সকালে অফিসের উদ্দেশ্যে বের হওয়া মো. তৌফিকুল আলম বলেন, “বাসা থেকে বের হওয়ার পরই দেখি সড়কে পানি জমে আছে। পানি মাড়িয়েই অফিসে যেতে হচ্ছে। প্রতিবছর বৃষ্টির সময় একই ধরনের দুর্ভোগ হয়। স্থায়ীভাবে এর সমাধান হচ্ছে না।”
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। সোমবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে।
লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে নগরের জলাবদ্ধতা নতুন করে জনদুর্ভোগ বাড়িয়েছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশন না হলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করছেন নগরবাসী।
ইতি/
