গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারীর প্রবর্তিত তরিকা, দর্শন, উসুল ও সিলসিলার খেদমত আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে আনজুমান-এ-মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ অক্টোবর বুধবার বিকেল ৩টায় চট্টগ্রামের গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিল হাসনাইন কমপ্লেক্সের দরবার হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অছিয়ে গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারী ১৯৪৯ সালে এ সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬৯ সালে অনুমোদিত সাংগঠনিক ধারা অবিকৃত রেখে বিভিন্ন ধারা ও উপধারা সম্প্রসারণের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়, জেলা, দায়রা শাখা এবং সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এসব সাংগঠনিক কার্যক্রমের মাধ্যমে গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারীর প্রবর্তিত তরিকা, দর্শন, উসুল ও সিলসিলার খেদমত অব্যাহত রয়েছে।
যুগের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ কার্যক্রম আরও গতিশীল করার উদ্দেশ্যে আয়োজিত সভাটি আনজুমান-এ-মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী কেন্দ্রীয় সংসদের চেয়ারম্যান, আওলাদে রাসুল (দ.) ও জাঁ-নশীনে অছিয়ে গাউসুল আজম শাহসুফি সৈয়দ সহিদুল হক মাইজভাণ্ডারীর নির্দেশক্রমে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শাহজাদা সৈয়দ আহমদ নাভিদ হাসান মাইজভাণ্ডারী।
সভায় উপস্থিত ছিলেন আনজুমান-এ-মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী কেন্দ্রীয় সংসদের মহাসচিব মাসুদ মাহমুদ, যুগ্ম সচিব মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ তানজীদ হোসাইন, কেন্দ্রীয় সদস্য আমির আহমদ, শওকত আলী চৌধুরী, মাওলানা ইউসুফ, মুসলিম উদ্দিন সওদাগর ও আবু সুলতান। এ ছাড়া চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয় কমিটির সদস্য এবং বিভিন্ন শাখা ও দায়রার সভাপতি, সম্পাদক ও সমন্বয়কারীরা সভায় অংশ নেন।
সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে সাংগঠনিক ধারা-সম্পর্কিত একটি বুকলেট প্রদান করা হয়। এতে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও সমন্বিতভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এদিকে, আগামী ১লা মাঘ থেকে ১০ই মাঘ পর্যন্ত গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারীর ২০০তম বেলাদত শরীফ ও ১২১তম বার্ষিক ওরশ শরীফ উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরু|ইতি
