কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে চট্টগ্রামের চন্দনাইশে বাবার জানাজায় অংশ নিয়েছেন কার্যক্রম আওয়ামী লীগের নেতা মোহাম্মদ শাহাদাত নবী। সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে পুলিশ পাহারায় হাতকড়া পরা অবস্থায় তিনি জানাজায় অংশ নেন। পরে তাঁকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।
শাহাদাত নবী চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৬ আগস্ট) ভোর ৫টা ২০ মিনিটের দিকে চন্দনাইশের একটি হাসপাতালে মারা যান শাহাদাত নবীর বাবা নুরুনবী সওদাগর। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় তিনি ভুগছিলেন।
বাবার মৃত্যুর পর জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন শাহাদাত নবী। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গাজীপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে সোমবার ভোর ৪টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত মোট সাড়ে ১১ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেন।
পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশ পাহারায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে শাহাদাত নবীকে চন্দনাইশে আনা হয়। বেলা আড়াইটার দিকে একটি মসজিদে অনুষ্ঠিত জানাজায় তিনি হাতকড়া পরা অবস্থায় অংশ নেন। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর বাবাকে দাফন করা হয়।
চন্দনাইশ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) লিটন মিয়া জানান, শাহাদাত নবীর বিরুদ্ধে ঢাকার ধানমন্ডি থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। জানাজা ও দাফন শেষে বেলা ৩টা ২০ মিনিটের দিকে পুলিশ পাহারায় তাঁকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, গত বছরের ১২ আগস্ট ঢাকার পল্টন এলাকা থেকে শাহাদাত নবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
ইতি/
