চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ও খোয়াজনগর খাল পুনঃখনন প্রকল্পে বরাদ্দ ও ব্যয়ের হিসাব নিয়ে অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট নথি, ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) বক্তব্যে কয়েকটি অঙ্কে পার্থক্য পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, দুই খাল পুনঃখননে মোট বরাদ্দ ছিল প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে শ্রমিক মজুরি, নন-ওয়েজ ব্যয়, পাইপ স্থাপন ও বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের হিসাব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে শ্রমিক সর্দারদের কাজের মূল্য, পাইপ স্থাপনের সংখ্যা ও ব্যয় এবং শ্রমিকদের নামে ব্যাংক হিসাব খোলার অভিযোগের বিষয়ে নথি যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।
খোয়াজনগর প্রকল্পেও বরাদ্দের পরিমাণ নিয়ে সরকারি নথি ও পিআইওর বক্তব্যে পার্থক্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পিআইও সুজন কান্তি দাশ সব ধরনের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রকল্পে কোনো দুর্নীতি হয়নি। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় অব্যবহৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে প্রকল্পের মেজারমেন্ট বুক, বিল-ভাউচার, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, শ্রমিক তালিকা ও সরেজমিন কাজের পরিমাণ যাচাই করে স্বাধীন তদন্ত ও আর্থিক নিরীক্ষা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, দুই খাল পুনঃখনন প্রকল্পে বরাদ্দের একটি বড় অংশ কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় সরকারি কোষাগারে ফেরত যাওয়ার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে।
ইতি/
