
দূর্জয় বড়ুয়া (শান্ত) প্রতিনিধি
খাগড়াছড়ি জেলা দীঘিনালা উপজেলা সকাল থেকেই চলছে বিসর্জনের আমেজ। দীঘিনালা অধিকাংশ মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন হবে মাইনী নদীতে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী আজ।
মঙ্গলবার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে এবারের এ উৎসব। সকালে হবে দশমীর বিহিত পূজা। এরপর দর্পণ ও বিসর্জন।
গত ২০ অক্টোবর ছিল দুর্গাপূজার মহাষষ্ঠী এর মধ্য দিয়ে শুরু হয় পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা।
হিন্দু পূরাণমতে, দুর্গাপূজার সঠিক সময় হলো বসন্তকাল। কিন্তু বিপাকে পড়ে রামচন্দ্র, রাজা সুরথ এবং বৈশ্য সমাধি বসন্তকাল পর্যন্ত অপেক্ষা না করে শরতেই দেবিকে অসময়ে জাগ্রত করে পূজা করেন। সেই থেকে অকাল বোধন হওয়া সত্ত্বেও শরতকালে দুর্গাপূজা প্রচলিত হয়ে যায়।
পঞ্জিকামতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা এবার ঘোটকে (ঘোড়ায়) চড়ে কৈলাশ থেকে মর্ত্যলোকে (পৃথিবী) আসেন। এতে প্রাকৃতিক বিপর্যয়, রোগ-শোক আর মারামারি-হানাহানি বাড়বে। অন্যদিকে কৈলাশে (স্বর্গে) বিদায়ও নেবেন ঘোড়ায় চড়ে। যার ফলে জগতে মড়ক ব্যাধি এবং প্রাণহানির মতো ঘটনা বাড়বে।
দুর্গাপূজাকে আনন্দমুখর করে তুলতে দীঘিনালা মণ্ডপগুলোতে বর্ণাঢ্য প্রস্তুতি নেয়া হয়। উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। ঢাক-ঢোল, কাঁসর আর শঙ্খের আওয়াজে মুখর হয় বিভিন্ন মণ্ডপ।
দিন বিকেলে মাইনী নদীর ঘাটে থেকে প্রতিবছরের মতো ঘাটে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের প্রতিমা নিরঞ্জন মাধ্যমে শেষ হবে।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে দীঘিনালা প্রতিটি মণ্ডপের নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ, আনসার, আইন-শৃংখলা অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশ ও পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি মণ্ডপে রয়েছে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী।

