, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 29° সে. | 💧 আদ্রতা 69%

দুই মন্ত্রীর কঠোর বার্তার পর ধর্মঘট প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক

সারা দেশে এলপিজি বিক্রির দোকান বন্ধ রাখার ঘোষিত কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের দাবির বিষয়ে শুনানির তারিখ নির্ধারণ এবং সরবরাহে বিঘ্ন ঘটালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সরকারের হুঁশিয়ারির পর এ সিদ্ধান্ত আসে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। ধর্মঘটের মাধ্যমে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তারা।

বিইআরসি সূত্রে জানা গেছে, এলপিজি ব্যবসায়ীদের উত্থাপিত দাবিগুলো নিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর সকালে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে দাবিগুলো পর্যালোচনার সুযোগ থাকায় ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন ব্যবসায়ীরা।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা দেশে এলপিজি বিক্রির দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। সংগঠনটির সভাপতি সেলিম খান জানিয়েছিলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে।

যেসব দাবিতে কর্মসূচির ঘোষণা

ব্যবসায়ীদের দাবির মধ্যে রয়েছে পরিবেশকদের কমিশন বৃদ্ধি, কোম্পানিগুলোর ইচ্ছামতো এলপিজির দাম পরিবর্তন বন্ধ এবং বিইআরসির নির্ধারিত মূল্যের বাইরে দাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন নিশ্চিত করা।

এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা কয়েকটি কোম্পানির সিলিন্ডারে পুনরায় গ্যাস ভরার ব্যবস্থা চালু, ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধ এবং জরিমানা আরোপের বিষয়ে সমাধান চেয়েছেন তারা।

এখন নজর ২৯ অক্টোবরের শুনানিতে

ধর্মঘট প্রত্যাহারের ফলে আপাতত এলপিজি বিক্রি ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার পথ তৈরি হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের দাবিগুলোর বিষয়ে কমিশনের শুনানিতে কী সিদ্ধান্ত আসে, তার ওপর পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ভর করবে।

এখন ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, শুনানিতে তাদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং কমিশনের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে চলমান বিরোধের সমাধান হবে

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত