সড়ক দুর্ঘটনা কমানো ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাটহাজারী-নাজিরহাট সড়কে দ্রুত রোড ডিভাইডার স্থাপন এবং সড়ক সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির ১৫৭তম সভায় তিনি এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাটহাজারী-নাজিরহাট সড়কটি চট্টগ্রামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত যোগাযোগপথ। সড়কটিতে ডিভাইডার না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। সম্প্রতি একাধিক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি দ্রুত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
জনস্বার্থ ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করে মীর হেলাল বলেন, দুর্ঘটনা রোধে হাটহাজারী-নাজিরহাট সড়কে জরুরি ভিত্তিতে ডিভাইডার স্থাপনের পাশাপাশি সড়কটির প্রয়োজনীয় সম্প্রসারণ করা দরকার।
সভায় সরকারি জমি বরাদ্দ ও ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনস্বার্থ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভূমি অধিগ্রহণের প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ যেন হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে পরিবেশ ও কৃষিজমি সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সভায় চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত একাধিক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
এর মধ্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় নগরের কয়েকটি মৌজায় জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের আওতাধীন চাতুরী-সিইউএফএল-কর্ণফুলী ড্রাইডক-মেরিন একাডেমি-ফকিরনীহাট জাতীয় মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য কর্ণফুলী ও আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়।
এ ছাড়া বারৈয়ারহাট-হেঁয়াকো-রামগড় আঞ্চলিক সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের আওতায় মিরসরাই ও ফটিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু এমপি। সভায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইতি/
