২৭ শে এপ্রিল শুভ জন্মদিন-চট্টগ্রাম উন্নয়নের রূপকার ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন জন্মদিন উপলক্ষে আমার কিছু জানা অজানা কথা 

মো. কামাল উদ্দিন

 

প্রাচ্যের রাণি অবহেলিত চট্টগ্রামের উন্নয়নের কথা লিখতে হলে ইতিহাসের পাতায় অন্যতম শব্দ একটি মানুষের কথা উল্লেখ করতে হয় “চট্টগ্রামের উন্নয়নের রূপকার ব্যারিস্টার মনোয়ার”। আমি অতি সাধারণ ক্ষুদ্র একজন লেখক/সাংবাদিক হিসেবে-লেখার সাহস পাচ্ছি না ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনের মতো পাহাড়-সমতুল্য ব্যক্তিত্বের ওপর লিখতে। ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনকে আমি খুব কাছে থেকে দেখেছি ‘বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন গণ সংগ্রাম কমিটি’, পরবর্তীকালে ‘গণ’ বাদ দিয়ে ‘বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চট্টলবন্ধু আলহাজ্ব এসএম জামাল উদ্দিনের বদৌলতে। এসএম জামাল উদ্দিন ঐ কমিটির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ছিলেন। সেই কমিটির প্রতিষ্ঠাতা- মহাসচিব ছিলেন আজকের চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান, বিশ্ব মানবধিকার-নেতা ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন। সমন্বয়কারী ছিলেন শিল্পী শাহরিয়ার খালেদ। আশির দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যে-ক-জন সম্মুখযোদ্ধা রাজপথ- কাঁপানো নেতা ছিলেন তার মধ্যে অন্যতম নেতা আজকের ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে জেল- জুলুম-হুলিয়া, সরকারের রোষানলে পড়ে অনেক নির্যাতন ভোগ করেছিলেন ব্যারিস্টার মনোয়ারসহ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের অসংখ্য ছাত্রনেতৃবৃন্দ। এরশাদ-বিরোধী আন্দোলনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম যখন একেবারে অবহেলিত হচ্ছে তখন চট্টগ্রামের উন্নয়নের দাবি নিয়ে রাজপথে এসেছিলেন ব্যারিস্টার মনোয়ার। চট্টগ্রামবাসীর মরণকান্না চাক্তাই খাল- খননের দাবি নিয়ে আন্দোলন- সংগ্রাম শুরু করলেও চট্টগ্রামের সাহসী এবং চট্টগ্রামপ্রিয় সর্বস্তরের মানুষদেরকে নিয়ে বিগত ১৯৮৮ সালে ১৪ই আগস্ট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন- ‘বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন গণসংগ্রাম কমিটি’। যার প্রতিষ্ঠাতা-মহাসচিব ছিলেন ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন। এই সংগ্রাম কমিটির মাধ্যমে তৎসময় ১৫- দফা দাবিতে রাজপথে কর্মসূচি নিয়েছিলেন। যথাক্রমে পথসভা, প্রতিবাদসভা, মানববন্ধন, ১২ ঘণ্টা হতে ৪৮ ঘণ্টা হরতাল, রেল ও রাজপথ অবরোধ, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সমর্থন আদায়ে মতবিনিময়সহ অসংখ্য কর্মসূচি পালন করেছিলেন সফলতার সাথে ব্যারিস্টার মনোয়ার। তৎসময়ের অন্যতম দাবি ছিল, চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তর, পৃথক শিক্ষাবোর্ড, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কর্ণফুলী নদীতে দ্বিতীয় সেতু, চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন, চট্টগ্রাম শহরে বহদ্দারহাটসহ দুটি বাস টার্মিনাল নির্মাণ, কর্ণফুলীর তলদেশে টানেল নির্মাণ, কালুরঘাটে তৃতীয় সেতু, কক্সবাজার হতে চট্টগ্রামে রেললাইন, কক্সবাজারে আধুনিক পর্যটন এবং কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম মেডিকেললের আধুনিকায়ন, জেনারেল হাসপাতালকে ৫০০ শয্যা করা, ঐতিহ্যবাহী কলেজসমূহকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা, আসনসংখ্যা বৃদ্ধি করা, সন্ত্রাসমুক্ত শিক্ষাঙ্গন করা, নকলমুক্ত পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা, সন্দ্বীপে ভেড়িবাঁধ, সিটি কর্পোরেশন-এলাকাকে পরিকল্পিত উন্নয়ন মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নসহ ২১- দফা দাবি প্রথমে উপস্থাপন করার পর প্রায় দাবি বাস্তবায়নের পরে পরবর্তীকালে ১৫-দফা আরও পরে জরুরিভিত্তিতে ৭-দফা দাবি নিয়ে ‘চট্টগ্রাম উন্নয়ন’ সংগ্রাম কমিটি’র নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রামে রাজপথে ছিলেন। ১৯৯৪ সালে আমাদের সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র-নির্বাচনে আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পক্ষে নির্বাচন- পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যারিস্টার মনোয়ারের ভূমিকা ছিল অন্যতম। নির্বাচনোত্তর বিজয়ী মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে লালদিঘির ময়দানে সর্বদলের সর্বজনের মহাসমাবেশে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ব্যারিস্টার মনোয়ারের পরিচালনার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল। ১৯৯৪ সালে আন্দরকিল্লা-চত্বরে সংগ্রাম কমিটির দিনব্যাপী শেষবারের মতো গণঅনশন শেষ করে উচ্চশিক্ষার জন্য মনোয়ার হোসেন যুক্তরাজ্য গমন করেন। উনার বিদায়ের কালে সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে আমরা একটি গণসংবর্ধনা দিয়েছিলাম। উনাকে যুক্তরাজ্যের সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক মনোনীত করে বিদায় দিয়েছিলাম। ব্যারিস্টার মনোয়ার ছোটোবেলায় স্কুলজীবনে সাংগঠনিক কার্যক্রমের সাথে জড়িত ছিলেন: চট্টগ্রাম সরকারি নাসিরাবাদ

 

স্কুলে দক্ষ সংগঠক হিসেবে প্রমাণ করেছিলেন। ব্যারিস্টার মনোয়ারের জন্মস্থান বোয়ালখালী ষোলশহর হলেও উনার বাবা উচ্চমানের একজন চিকিৎসক হিসেবে মুরাদপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। ব্যারিস্টার মনোয়ারের পুরো পরিবার সামাজিক ও ক্রীড়াপ্রতিষ্ঠানের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি যুক্তরাজ্য গিয়ে সফলতার সাথে আইনের ছাত্র-হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন এবং পরবর্তীকালে ব্যারিস্টারি পাশ করে লন্ডনে স্থায়ীভাবে আইনপেশা চালিয়ে আসছেন। আইনপেশায় থাকলেও মনেপ্রাণে চট্টগ্রাম-উন্নয়নপ্রেমী হিসেবে ভূমিকা রেখে চলেছেন। ‘গ্রেটার চিটাগং ইউকে শাখা’র সভাপতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানববাধিকার সংগঠনের নেতৃত্বও দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি ‘আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ফাউন্ডেশনে’র যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ‘বিশ্ব চট্টগ্রাম সমিতি’র প্রধান সমন্বয়কারী-হিসেবে দায়িত্ব পালনরত। ‘বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি’র প্রতিষ্ঠাতা- চেয়ারম্যান চট্টলবন্ধু আলহাজ্ব এস এম জামাল উদ্দিনের মৃত্যুর পর সংগঠনটির সাংগঠনিক কার্যক্রম যখন দুর্বল হয়ে পড়ে তখন তিনি চট্টগ্রামবাসীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি নগরীর মরণকান্না জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের সচেতন মানুষদের নিয়ে ২০১৫ সালে ‘চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম’ প্রতিষ্ঠা করেন। সেই নাগরিক ফোরামের তিনি প্রতিষ্ঠাতা- চেয়ারম্যান এবং আমি প্রতিষ্ঠাতা-মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। ২০১৫ সালে নাগরিক ফোরাম প্রতিষ্ঠার পর আমরা সাংগঠনিকভাবে অসংখ্য কাজ করেছি। বিশেষ করে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে সোচ্চার হয়েছি; সেমিনার, প্রতিবাদী সভা, জনমত গঠন, মানববন্ধনসহ নিয়মতান্ত্রিক অসংখ্য কর্মসূচি পালন করেছি। এখনও পালন করে যাচ্ছি। ব্যারিস্টার মনোয়ারের নেতৃত্বে ২০১৭ সালের ৯ই জুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে ‘চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামে’র উদ্যোগে স্মারকলিপির মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা একটি বড় ধরনের বরাদ্দ চেয়েছিলাম। আমাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১ মাসের মাথায় অর্থাৎ ২০১৭ সালে ৯ই জুলাই ‘চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে’র অনুকূলে ৫ হাজার ৬ শত ১৬ কোটি টাকা জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দিয়েছিলেন। তার প্রেক্ষিতে ‘চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামে’র পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপির মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম। এরপরও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক গৃহকর- বৃদ্ধির প্রতিবাদে ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে আমরা রাজপথে নেমেছিলাম এবং জোরালোভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। আমাদের প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে তৎসময় সিটি কর্পোরেশন তথা স্থানীয় সরকার অতিরিক্ত গৃহকর আদায় থেকে বিরত হয়েছিলো। এছাড়াও আমরা ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ‘চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামে’র উদ্যোগে অসংখ্য চলমান সমস্যা চিহ্নিত করে চট্টগ্রামবাসীকে সাথে নিয়ে কাজ করে আসছি। ইতোমধ্যে ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বহির্বিশ্বের অসংখ্য দেশে ‘চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামে’র শাখা-কমিটি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। চট্টগ্রামের জলবদ্ধতার নিরসনকল্পে নিশ্চয়তা দাবি করে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবস্থ বঙ্গবন্ধু হলে ২০১৯ সালে জলাবদ্ধতার প্রকল্পের দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারাসহ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তৎসময়ের মেয়র আ. জ. ম. নাছিরউদ্দিন ও সিডিএ-চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ এবং সিনিয়র সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ চট্টগ্রামের সুশীল সমাজকে নিয়ে ‘উন্নয়ন কনভেনশন’ করেছিলাম; যার সফলতার দাবিদার একমাত্র ব্যারিস্টার মনোয়ার। ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনের বিষয় লিখতে গেলে লিখে শেষ করা যাবে না। তিনি বাংলাদেশসহ বহির্বিশ্বের অসংখ্য পুরস্কারে পুরস্কৃত হয়েছেন। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম পুরস্কার ‘হুজ হু পুরস্কারে’ সম্মানিত হয়েছেন। তিনি লন্ডনস্থ ‘হোসেন ল অ্যাসোসিয়েটস’-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য ছাত্র-যুবকের লন্ডনে উচ্চশিক্ষা ও চাকরির সুযোগ করে দিয়েছেন। দেশের অর্থনীতি ও শিক্ষার ক্ষেত্রে অতুলনীয় ভূমিকা পালন করেছেন এবং পালন করে আসছেন। এই সংক্ষিপ্ত লেখার মাধ্যমে হয়তো ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনের পরিপূর্ণ পরিচয় আমি উপস্থাপন করতে পারিনি। অন্যসময় যদি কোনো সুযোগ আসে তাঁর বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে লেখার আশ্বাস দিচ্ছি। পরিশেষে বলব, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা যদি এই যোগ্য বিশ্বব্যক্তিত্বকে চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের উন্নয়নের যে-কোনো স্থানে কাজে লাগাতে পারেন তা হলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনী জন্ম: ২৭ এপ্রিল, জন্মস্থান ষোলশহর, চট্টগ্রাম পিতা: ডা. মোহাম্মদ নূরুল হুদা, মাতা সৈয়দা আকতার জাহান ভাই-বোন: ৭ ভাই, ২ বোন স্ত্রী: লুৎফুন্নাহার লীনা (শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত, পাশাপাশি তিনি নানা কল্যাণধর্মী ও সামাজিক সংগঠনে জড়িত) সন্তান: ১ মেয়ে ও ১ ছেলে মেয়ে সলিসিটর, ছেলে এলএলএম ও ব্যারিস্টারি পড়ছে) তিনি ইংল্যান্ডের প্র্যাকটিসিং ব্যারিস্টার এবং লিঙ্কনস ইনের সদস্য।হোসেন ল’ এসোসিয়েটস-এর প্রধান (লন্ডন, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট)। অধ্যয়ন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, লন্ডন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি, বিপিপি বিশ্ববিদ্যালয়, লন্ডন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম সরকারি বাণিজ্য কলেজ, চট্টগ্রাম নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম হামজারবাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়।

পেশাগত ওয়েবসাইট: www.hossainlaw.com ইউটিউব: ‘ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন’; Barrister Monwar Hossain ফেসবুক প্রোফাইল: https:// www.facebook.com/monwar.hossain.9

ফেসবুক পাতা: https://www.facebook.com/ monwar27/ ফেসবুক ফ্যান পেজ: https://www.facebook.com/profile.php?id=100076221849170&mibext

সম্মাননা ও স্বীকৃতি

 

* “হুজ হু বাংলাদেশ” এওয়ার্ড। পেশাজীবী ক্যাটাগরিতে- ২০১৬

* ব্রিটিশ-বাংলাদেশ বিজনেস এওয়ার্ড ২০১৫

* সভাপতি, ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন

 

ফাউন্ডেশন * সভাপতি, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ফাউন্ডেশন, ইউ, কে উপদেষ্টা, মাসিক ডিপ্লোম্যাটস ওয়ার্ল্ড নিউজ ম্যাগাজিন, ঢাকা

 

* উপদেষ্টা সম্পাদক, নিউজ চট্টগ্রাম ২৪.কম

 

* প্রতিষ্ঠাতা, গ্রেটার চট্টগ্রাম ইয়ুথ ফোরাম

 

* প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, চাক্তাই খাল খনন সংগ্রাম কমিটি, চট্টগ্রাম* আজীবন দাতা সদস্য, কধুরখীল হাই স্কুল, চট্টগ্রাম রাজনীতি, মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড * ব্যারিস্টার হিসেবে সফল এই

 

উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিটির স্কুল-জীবন থেকেই রয়েছে ক্লিন ইমেজ ও প্রগতিশীল ছাত্র রাজনীতির ইতিহাস, চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে এজিএস নির্বাচিত হয়ে জনপ্রিয়তার শুরু কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতারূপে পরে জননেতা এবং সফল আইনপেশার মাধ্যমে তা এখনো অব্যাহত।* ৯ম শ্রেণিতে জিএস পদে বিজয়ী এবং দৈনিক আজাদী’তে সর্বমহল থেকে ব্যাপকভাবে অভিনন্দিত। স্কুলেই ছাত্র-রাজনীতিতে হাতেখড়ি এবং ভবিষ্যতের অগ্নিঝরা বক্তৃতা দিয়ে শ্রোতৃমণ্ডলীকে মন্ত্রমুগ্ধ ও উদ্দীপিত করার ট্রায়াল শুরু। সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনে স্কুলের ছাত্রদের নেতৃত্বের মাধ্যমে রাজপথ ও নেতৃত্বের প্রাথমিক চর্চা শুরু। পরবর্তীতে বাংলাদেশে ছাত্র-ইউনিয়নের নগর ও জেলা পর্যায়ের নেতৃত্বে অভিষেক। সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনে রাজপথের একজন লড়াকু সৈনিক হিসেবে জেল-জুলুম-জুলিয়া এবং কারাবরণ করেন। সরকারি কমার্স কলেজের মেধাবী মুখ মনোয়ার ১৯৮৫ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য-ব্যবস্থাপনায় মাস্টার্স করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন শহীদ আব্দুর রব ও প্রীতিলতা হল, আইন বিভাগ চালু, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ও বাস-কনসেশন চালুর জন্য অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। * ১৯৮২ থেকে ৯০ সাল পর্যন্ত স্বৈরাচার এরশাদ-বিরোধী আন্দোলনে তিনবার গ্রেফতার ও দুইবার দীর্ঘদিন কারাবরণ, এইসময়ে ৬০ বারের অধিক তাঁর বাড়িতে পুলিশ ও সেনাদের হানা। তৎকালীন ‘কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’-এর অন্যতম নেতা ও চট্টগ্রামের ১৫ দলীয় অন্যতম নেতা। * এ প্রজন্মের অনেকেই ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনকে জানেন। ১৯৮২ থেকে ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী অন্দোলনের রাজপথ-কাঁপানো লড়াকু বীর মনোয়ার হোসেন ‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদে’র কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, ‘বাংলাদেশে ছাত্র ইউনিয়নে’র কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং সহ-সভাপতি হিসেবে। তিনি ছিলেন ছাত্র ইউনিয়ন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি। এরশাদ-বিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি দুবার দীর্ঘদিন কারাগারে আটক ছিলেন বিনা বিচারে। দ্বিতীয়বার ছয়মাস তাঁর সাথে ছিলেন চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, সাবেক এমপি কফিল উদ্দীন, সাবেক এমপি মোসলেম উদ্দিন আহমেদ, জননেতা কমরেড শাহ আলম, জননেতা নুরুদ্দীন জাহেদ মঞ্জু, এডভোকেট জানে আলম, জননেতা আলী আহমদ নাজির। তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ এবং তাঁদের মধ্যে একমাত্র ছাত্রনেতা। * চট্টগ্রামের জুটমিল, গার্মেন্টস, টেনারিজ, রেল, বন্দর ও রেস্টুরেন্ট শ্রমিক-কর্মচারী, সাংবাদিক,হকার, দোকান মালিক-কর্মচারীদের এবং প্রাথমিক-মাধ্যমিক শিক্ষকদের বিভিন্ন আন্দোলন- সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে ছাত্র রাজনীতির সময় থেকে লন্ডনে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়ার আগে পর্যন্ত তিনি পাশে থেকে অনেক ভূমিকা রাখেন।

 

* তৎকালীন শক্তিশালী সিপিবি’র চট্টগ্রাম মহানগরীতে সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য ছিলেন (১৯৯০-৯৪) এবং কেন্দ্রীয় সংগঠক ছিলেন।

 

* চট্টগ্রামের সুসন্তান ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন। চট্টগ্রামের রাজনৈতিক নেতৃত্বে যখন অবসাদগ্রস্ততা নেমে এসেছিলো, চাক্তাই খালের পানিতে চট্টগ্রাম হাবুডুবু খাচ্ছিলো, রাস্তাঘাট ভেঙেচুরে করুণ অবস্থা বিরাজ করছিলো, এমনি সংকটময় সময়ে চট্টগ্রামের সামাজিক জীবনে নতুন নেতৃত্বের উদ্ভবের প্রত্যাশায় যখন রাত্রি তপস্যা দীর্ঘতর হচ্ছিলো, তখনই চট্টগ্রামের রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক দৃশ্যপটে মনোয়ারের আবির্ভাব। * ৮০ ও ৯০ দশকে চট্টগ্রামের জনপ্রিয় ও সফল উন্নয়ন-আন্দোলনের মূল স্থতি ও এরশাদ আমলে চট্টগ্রাম উন্নয়নে ১৫ দফা দাবিতে ১৯৮৯ সালে ৪৮ ঘণ্টার সফল হরতালের মূল নায়ক। * চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতার সমাধানে ১৯৮৭ সাল থেকে এখনো সোচ্চার। * সাম্প্রতিক জলাবদ্ধতা বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন মেয়র, সিডিএ চেয়ারম্যান, সেনাবাহিনী, ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বন্দর- কর্তৃপক্ষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ২০১৯ সালে এক কনভেনশনে সমন্বিত কার্যক্রম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত অর্থের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা ও গণসচেতনতা সৃষ্টির জন্য উদ্যোগ গ্রহণ, যার কারণে নগরবাসীর প্রশংসা অর্জন।

 

* ১৯৯৪ সালে চট্টগ্রামের মেয়র নির্বাচনে গণতান্ত্রিক, বাম প্রগতিশীল ও উন্নয়ন আন্দোলনের পক্ষে তিনি সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী হওয়ার কথা থাকলেও, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পক্ষে সকল দলকে ঐক্যমত্যে আনার ক্ষেত্রে তিনি মূল ভূমিকা পালন করেন, তাঁকে জয়ী করার জন্য একান্ত পরিশ্রম করেন। তাঁর সমর্থনে লালদিঘি মাঠে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ লক্ষাধিক লোকের সমাবেশটি ব্যতিক্রমীভাবে পরিচালনা করে নগরবাসীকে বিশালভাবে উজ্জীবিত করেন।

* চট্টগ্রামের উন্নয়নের দাবিতে ৮০-এর দশকের শেষে অত্যন্ত জনপ্রিয় নাগরিক আন্দোলনের সংগঠক। ‘চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি’র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাঁরই নেতৃত্বে চট্টগ্রামে দৃশ্যমান উন্নয়ন পরিলক্ষিত হয়। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কর্ণফুলী ব্রিজ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হয়।

 

* ১৯৯৪ সালে তিনি উচ্চ শিক্ষার জন্য বিলেতে যান এবং ১৯৯৭ লন্ডন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি থেকে আইনে অনার্স করেন আপার সেকেন্ড কাস নিয়ে। ১৯৯৮ সালে লিংকন’স ইন থেকে তিনি ব্যারিস্টারি ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তিতে তিনি পিউপিলেজ সম্পন্ন করে প্র্যাকটিস শুরু করেন।

* যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি হাতেগোনা কয়েকজন প্র্যাকটিসিং ব্যারিস্টার-এর মধ্যে তিনি একজন এবং স্বনামধন্য। সিভিল মানবাধিকার ও ইমিগ্রেশন আইনে বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়মিত সেখানে হাইকোর্ট ও কোর্ট আপিলের এবং ট্রাইব্যুনালের মামলা পরিচালনা করেন। হাজার হাজার বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট তাঁর মাধ্যমে সহায়তা পেয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের সম্মাননা এবং ক্রেস্ট গ্রহণের পাশাপাশি ২০১৬ সালে তিনি প্রথমবারের মতো দেশে চালু হওয়া ‘হুজ হু বাংলাদেশ’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন (১৩ জন পুরস্কৃত গুণীদের মধ্যে আরো ছিলেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ, প্রফেসর আনিসুজ্জামান, ক্রিকেটার আকরাম খান, শাইখ সিরাজ, সাংবাদিক তোয়াব খান প্রমুখ)।

 

* ব্যারিস্টার মনোয়ার ২০১৫ সালে চট্টগ্রামের সকল দল ও মতের প্রতিনিধিত্বশীল বিশিষ্ঠ ব্যক্তিদের নিয়ে ‘চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম’ গঠন করেন এবং এর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এ-যাবৎ এই ফোরাম বৃহত্তর চট্টগ্রামের নাগরিক অধিকারের একক সংগঠন হিসেবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ড করেছে। তাঁর পিতা ডা. নুরুল হুদার জন্ম চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। তাঁর পূর্বপুরুষেরা সুদূর আর থেকে এসেছিলেন ভারত হয়ে চট্টগ্রামে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে। ছিলেন চট্টগ্রামে একজন প্রখ্যাত চিকিৎসক ও একজন সমাজহিতৈষী। তিনি বোয়ালখালী ও পাঁচলাইশ চান্দগাঁও এলাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ব্যারিস্টার মনোয়ারও তাঁর পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে অনেক প্রতিষ্ঠানে তাঁর অবদান রেখে নিস্তান। কালুরঘাট সেতুটিকে নূতনভাবে নির্মাণের দাবি তিনি সর্বপ্রথম উত্থাপন করেছিলেন ১৯৯০-৯১ সালে।

* লন্ডনে আইনপেশায় থাকলেও তিনি দেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে অফিস স্থাপন করে ইউকে-ইমিগ্রেশন আইনসংক্রান্ত বিষয়ে অগণিত মানুষকে আইনি সহায়তা দেন। তাঁর মাধ্যমে উপকৃত হয়েছে যুক্তরাজ্যে প্রবাসী হাজার হাজার বাংলাদেশি। দেশের সাথে, মানুষের সাথে সবসময় নিয়মিত রেখেছেন যোগাযোগ। হলিডের জন্য নয়, দেশের টানে বছরের দীর্ঘ সময় দেশে অবস্থানকালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন।

* যুক্তরাজ্যে এশিয়ান টিভিগুলোতে আইন বিষয়ক লাইভ শো করেছেন অনেক বছর। টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিত।

* তিনি যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংগঠন “হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল-এর সেক্রেটারি জেনারেল নির্বাচিত হন (১৯৯৪ থেকে সম্পৃক্ত) এবং জেনেভা, নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন স্থানে জাতিসংঘ ও মানবাধিকার কমিশন ইত্যাদিতে বিভিন্ন মিটিং ও কনভেনশনে যোগ দেন। ১৯৯৫ সালে ব্রিটিশ হাউস অব কমন্সে বাংলাদেশে মানবধিকার। লংঘনের বিরুদ্ধে ‘হিউমান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল’-এর কনভেনশনে তিনি জোরালো তথ্য তুলে ধরেন।

* স্বাধীনতা-বিরোধীদের বিষয়ে তিনি স্কুল জীবন থেকেই সোচ্চার ছিলেন এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের মোকাবেলা করেছেন।

* ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি তখন স্কুলের ছাত্র, কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে চট্টগ্রামের প্রথম বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন সামরিক শাসনের ভীতিকে উপেক্ষা করে।

 

* তৃতীয় মাত্রা, অন্য দৃষ্টিসহ টক-শোতে দেশবিদেশে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেছেন।

* চট্টগ্রামের বহু শিক্ষা, সামাজিক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সক্রিয় সম্পৃক্ততা রয়েছে তাঁর।

* দীর্ঘদিনের লালিত সুন্দর ও পরিকল্পিত নগরীর জন্য তাঁর দীর্ঘদিনের ভূমিকা, ১৯৯৫ সালের মাস্টার প্ল্যান রিভাইজ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন।

* দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় সব সময় সোচ্চার তিনি।

* প্রায় ৪৫টি দেশ ভ্রমণ করে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তা দেশের অনেক কাজে লাগাতে পারবেন।

* ইংল্যান্ডে যাওয়ার পর তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। পরে তিনি আওয়ামী আইনজীবী সমিতির জন্মলগ্ন থেকেই যুক্ত থাকেন।

* বাংলাদেশের আইনসংস্কার ও লক্ষ লক্ষ মামলার ডাট খুলতে তাঁর রয়েছে ইংল্যান্ডের আদালতে প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা, এ বিষয়ে ও মানবধিকার আইন বিষয়ে কাজ করতে প্রবল আগ্রহী। ‘যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত প্রায় ৭০ হাজার চট্টগ্রামবাসীদের নিয়ে বিশাল সংগঠন করে তার সভাপতি হিসেবে সফলতা অর্জন করেছেন।

* ২০১৩ সালে গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন,ইউকে গঠন করেন। এটির তিনি ৮ বছর সভাপতি ছিলেন।

* বিশ্বব্যাপী চট্টগ্রাম সমিতি ও এসোসিয়েশনগুলিতে সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক চট্টগ্রাম সমন্বয় কমিটির তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে তিনি সোচ্চার।

* কোভিড চলাকালীন সময়ে তিনি চট্টগ্রামে এম্বুলেন্স দিয়ে সাহায্য করেছেন গাউছিয়া কমিটিকে। আর খাদ্য ও অর্থ সাহায্য দিয়েছেন অগণিত মানুষকে। এই সাথে মানুষের সুষ্ঠু চিকিৎসার জন্য তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছেন।

 

* চট্টগ্রামের দলমত নির্বিশেষে সকল মহলের কাছে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য তিনি। ১০০% সং ও ক্লিন ইমেজ। আইনজীবী হিসেবে তাঁর আন্তর্জাতিক পরিচিতি। ইংল্যান্ডে লেখাপড়া করে সেখানে প্র্যাক্টিসিং ব্যারিস্টার হিসেবে নিয়মিত উচ্চ আদালতে মামলা পরিচালনা, ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে সুপরিচিত এবং যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি হাতেগোনা কয়েকজন প্র্যাকটিসিং ব্যারিস্টার এর মধ্যে তিনি একজন এবং স্বনামধন্য। সিভিল মানবাধিকার ও ইমিগ্রেশন আইনে বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়মিত সেখানে হাইকোর্ট ও কোর্ট আপিলের এবং ট্রাইব্যুনালের মামলা পরিচালনা করেন। হাজার হাজার বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট তাঁর মাধ্যমে সহায়তা পেয়েছেন। একজন সৎ ও দক্ষ আইনজীবী হিসেবে তাঁর রয়েছে অনেক সুনাম। দেশের মানুষের সেবায় তিনি সদা তৎপর। মানবিক নানা উদ্যোগে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি একজন সফল সংগঠক। তিনি এর মধ্যে আইকন এওয়ার্ড সহ আমিরিকার বিজনেস ম্যাগাজিনে বিশ্ব জরিপের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন উনাকে। মনোয়ার হোসেনকে চট্টগ্রামবাসী আগামীতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দেখতে চাই, তাই আমরা চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম সহ অর্ধশতাধিক সংগঠন উনাকে সংবর্ধনা দেওয়ার মাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছি চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের রূপকার সময়োপযোগী সাহসী পুরুষ মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিত, বিশ্ব পরিব্রজক ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনকে আমরা যদি মেয়র নিরবাচিত করে আন্তে পারি তাহলে চট্টগ্রাম নগরিকে তিনি আধুনিক বিশ্বের দরবারে একটি বিশ্বমানের নগরী রুপান্তর করে করতে পারবে বলে আমাদের বিশ্বাস। আজকে মনোয়ার হোসেন এর জন্মদিন আমরা চট্টগ্রামের সকল সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি সাথে সাথে আমরা উনার দীর্ঘ আয়ু এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।

লেখকঃ সাংবাদিক, গবেষক, প্রাবন্ধিক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও মহাসচিব, চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম।

 

 

[recent_tabs]