একটি সফল বিপ্লবের পর পৃথিবীর দেশে দেশে বিপ্লবের সফল নায়কগণ বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে ( পতিত ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারের আলাপ ও প্রত্যাশা এখানে বিবেচ্য নয়!) বিপর্যস্ত দেশের প্রয়োজনী সংস্কার/ রিফর্মেশন করে থাকেন, এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। সেক্ষেত্রে তারা ইচ্ছা করলে জনগণের মেন্ডেড নিয়ে ( অবশ্য গণভোটের মাধ্যমে নেয়া প্রয়োজন) সংবিধান, জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় পতাকা,বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহ আরও যত মৌলিক, বিতর্কিত ও প্রয়োজনীয় বিষয় আছে সেগুলোর পরিবর্তন পরিমার্জন ও সংশোধনের উদ্যোগ নিতেই পারেন। তবে সংশ্লিষ্ট দেশের অতীত ইতিহাস,ঐতিহ্যকে অস্বীকার করে এই রিফর্মেশন যদি করা হয় তখন সেই রিফর্মও টেকসই হবে না, সময়ের ব্যবধানে সেটাও আবার বদলে যেতে পারে। এই ইদুর দৌঁড় খেলা কোনভাবেই কাম্য নয়।
এবাব আসুন বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় পতাকা, সংবিধান পরিবর্তন ইত্যাদি বিতর্ক নিয়ে একটু আলোকপাত করা যাক। আমাদের মনে রাখতে হবে ২০২৪ এর আগে আমাদের এর চেয়েও একটি গৌরবময় সাল- ১৯৭১ ছিল! ৩০ লক্ষ না ৩ লক্ষ সেই বিতর্কে না গিয়েও অগুনিত শহিদের রক্ত, অসংখ্য মা বোনের ইজ্জত আব্রুর বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও সম্মান রেখেই সকল রিফর্মেশন করতে হবে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা আমাদের শহিদের রক্তের ঋণ। তার মান সম্মান রক্ষা করা প্রতিটি নাগরিকের ইমানী দায়িত্ব ও কর্তব্য।