ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পোশাক বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি কমছে। তুলনামূলক কম দামে পোশাক সরবরাহ করেও বাজার ধরে রাখতে পারছে না বাংলাদেশ। বিপরীতে বেশি দামে পোশাক রপ্তানি করেও ভিয়েতনাম বাজারে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে।
Eurostat-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ইইউতে বাংলাদেশ ৮ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ইউরোর পোশাক রপ্তানি করেছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি কমেছে ১৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ সময়ে প্রতি কেজি পোশাকের গড় রপ্তানি মূল্যও ১৫ দশমিক ২৪ ইউরো থেকে কমে ১৩ দশমিক ৮৮ ইউরোয় নেমেছে।
অন্যদিকে ভিয়েতনাম ২ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ইউরোর পোশাক রপ্তানি করেছে। তাদের রপ্তানি বেড়েছে ০ দশমিক ৩৬ শতাংশ। প্রতি কেজি পোশাকের গড় মূল্যও ২৫ দশমিক ৮৪ থেকে বেড়ে ২৯ দশমিক ৩২ ইউরো হয়েছে।
শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু কম দামে পোশাক রপ্তানি করে এখন আর ইউরোপের বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন। পণ্যের বৈচিত্র্য, বিশেষ করে ম্যান-মেড ফাইবার (MMF) পোশাক উৎপাদন বাড়ানো, জ্বালানি সংকট কাটানো এবং উচ্চমূল্যের পণ্যে সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।
তবে জুনে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেড়েছে। ফলে সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর কিছুটা সম্ভাবনাও দেখছেন রপ্তানিকারকেরা।
ইতি/
