দেশের চলমান গ্যাস সংকট মোকাবিলায় কক্সবাজারে আরও দুটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) নামে পরিচিত এসব টার্মিনাল ২০৩০ সালের মধ্যে চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সম্প্রতি এলএনজি সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী সংকটের প্রভাবে আবাসিক ও শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। কমে গেছে গ্যাসের চাপও। এতে বিভিন্ন শিল্পকারখানায় উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
বর্তমানে কক্সবাজারের মহেশখালীতে থাকা দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের কার্যক্রমও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনাল দুটির আংশিক মেরামত করা গেলেও সেগুলো এখনো পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি।
এই পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থাকে একটি নির্দিষ্ট এলাকার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না রাখার পরিকল্পনা করছে সরকার। সরবরাহ ব্যবস্থায় বিকল্প ও অতিরিক্ত সক্ষমতা তৈরি করতেই নতুন দুটি এফএসআরইউ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে এলএনজি আমদানি, সংরক্ষণ ও গ্যাস সরবরাহে সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে কোনো একটি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি বা সরবরাহ ব্যাঘাত ঘটলেও জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় এর প্রভাব কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইতি/
