কক্সবাজার জেলা,চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভোটার তথ্য হালনাগাদ অনিয়ম বন্ধ হয় নাই, অতিরিক্ত টাকা দেওয়ারর পরেও হয়রানি হতে হচ্ছে,দৈনিক শত শত মানুষ এই ইউনিয়ন পরিষদের হয়রানি শিকার হয়,তথ্যসুত্রে জানা গেচে,কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর চিলো মনো আলম,সে মামলার আসামী হওয়া তার বিপরীতে কাজ করে যাচ্চে তার স্ত্রী শাজরু আরা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে মেনেজ করে দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের হাজারো জনগনকে জিম্মি করে, লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, ৫নং ওয়ার্ড়ের আবদুল করিম(৪৭) জানান,আমি এবারে আমার পরিবারের ৩জনকে ভোটার হালনাগাদ করার জন্য পরিষদে প্রত্যয়ন পত্রের জন্য যাই,কম্পিউটার অপারেটর আমাকে বলে ফাইল রেড়ি করে রাখবো আপনি আগামীকাল আসিয়ে,আমি পরদিন গেলে, সে আমাকে বলে, ফাইর রেড়ি করা হয়ছে,১৫০০ টাকা লাগবে,আমি বলচি এত টাকা আমার কাছে নাই,১২০০ টাকা নেন, সে আমাকে ফাইল দিবেনা,খারাপ ব্যবহার করে,পরে বিকাশের মাধ্যমে টাকা এনে তাকে দিয়ে ফাইল নিয়ে গেছি,এরকম শত শত ভোটার হওয়ার জনগন অভিযোগ করেন,এ বিষয়ে জানতে চাইলে, সুজন সুশাসনের জন্য নাগরিক কোনাখালী ইউনিয়নের সভাপতি, বদরুন নাহার কলি জানান,আমি এরকম অভিযোগ অনেক শুনছি,অনেক গরীব অসহায় আছেন,দিনে আয় করে, দিনে খাই, তাদের জন্য ও এরকম হয়রানি শিকার হয়ছে,আমি প্রশাসন প্রতি অনুরোধ করবো অতিরিক্ত টাকা আদায় যেন না করে,এ বিষয়ে জানতে চাইলে, ৫/ ৬ নং ওয়ার্ড়ের দায়িত্বে তথ্য সংগ্রহকারী মাষ্টার এহসান জানান,আমি প্রতিদিন ভোটার ফরম জমা নি,শত শত ভোটার হালনাগাদকারীরা অভিযোগ করে বলে,পরিষদে অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার পরেও হয়রানি শিকার হতে হয়,সরকারি নিয়ম ছাড়া, অতিরিক্ত কাগজ নিতে হয় বলে টাকা আদায় করে পরিষদে,আমি তারপরেও সবাইকে বলে দিছি,অতিরিক্ত কাগজ না নিতে,কোনাখালী ইউনিয়ন বাসীর পক্ষ থেকে জনপ্রশাসন প্রতি সচেতন মহলের অনুরোধ পরিষদের ফিঃ ছাড়া অতিরিক্ত টাকা না নেওয়ার জন্য