চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহের ঘাটতির প্রভাব এবার স্পষ্টভাবে পড়েছে নগর পরিবহনে। পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় অধিকাংশ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে অটোরিকশাচালকদের। এতে কর্মঘণ্টার বড় অংশ নষ্ট হওয়ায় কমে যাচ্ছে তাঁদের আয়, আর এর প্রভাব পড়ছে যাত্রী ভাড়াতেও।
নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, গ্যাস নেওয়ার আশায় শত শত সিএনজিচালিত অটোরিকশা দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে আছে। কোথাও সরবরাহ বন্ধ, আবার কোথাও গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে একটি গাড়িতে গ্যাস নিতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগছে।
চালকদের অভিযোগ, গ্যাস সংগ্রহে প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় ব্যয় হচ্ছে। ফলে আগের মতো পর্যাপ্ত ট্রিপ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অথচ গাড়ির মালিককে নির্ধারিত জমা ও অন্যান্য দৈনিক খরচ আগের মতোই বহন করতে হচ্ছে। এ কারণে অনেক চালক অতিরিক্ত ভাড়া নিতে বাধ্য হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন।
এদিকে যাত্রীরাও বলছেন, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। এতে নিত্যদিনের যাতায়াত ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও বাড়ছে।
গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে চট্টগ্রামে দৈনিক চাহিদার তুলনায় উল্লেখযোগ্য গ্যাস ঘাটতি রয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় পরিবহন খাতে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও প্রকট হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইতি/
