, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 26° সে. | 💧 আদ্রতা 93%

কুয়াকাটার সাগরে ইলিশের জোয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা উপকূলসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি মাছধরা ট্রলারে একসঙ্গে ধরা পড়েছে প্রায় ৪৬ মণ ইলিশ। পরে মহিপুর মৎস্যবন্দরের একটি আড়তে নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো বিক্রি হয় প্রায় ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায়।

জেলেদের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার পায়রা সমুদ্রবন্দরের শেষ বয়া এলাকার কাছাকাছি সাগরে জাল ফেললে এফবি জুনাইদ নামের ট্রলারটিতে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ওঠে। মাছ ধরা শেষে শুক্রবার দুপুরে ট্রলারটি মহিপুর মৎস্যবন্দরে ফিরে আসে।

আড়ত সূত্রে জানা গেছে, মোট মাছের মধ্যে ২৪ মণ ছিল এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ। এগুলো প্রতি মণ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আর ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের আরও ২২ মণ ইলিশ বিক্রি হয় প্রতি মণ ৯৫ হাজার টাকা দরে।

দুই ধরনের মাছ মিলিয়ে পুরো চালানটির দাম দাঁড়ায় ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

ট্রলারটির মালিক ও জেলে আলমগীর হোসেন জানান, কয়েক বছর পর এবার একবারে এত বড় পরিমাণ ইলিশ পেয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিনের লোকসানের মধ্যে এই বড় চালান তাদের জন্য স্বস্তি এনে দিয়েছে বলে জানান তিনি।

মৎস্যসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সাগরে ইলিশের প্রাপ্যতা তুলনামূলক কম থাকলেও বিচ্ছিন্নভাবে জেলেদের জালে মাছ উঠছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে ইলিশের প্রাপ্যতা আরও বাড়তে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে একদিনে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়াকে পুরো সাগরে ইলিশের প্রাচুর্যের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ হিসেবে দেখছেন না গবেষণাসংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, ইলিশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বুঝতে দীর্ঘমেয়াদি তথ্য ও ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন ধরে রাখতে নিষেধাজ্ঞার সময় মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা, জেলেদের সচেতনতা এবং সংরক্ষণব্যবস্থা কার্যকর রাখার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছেন মৎস্যসংশ্লিষ্টরা

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত