
মোঃ নাছির উদ্দীন,চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে আইনশৃংখলা রক্ষাকায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্য ওমর সানি ওপেন সিক্রেট লেনদেনে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পুলিশ সদস্য ওমর সানি কে সাত দিনের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে পোস্টিং দেওয়া হয়। কিন্তু প্রথম দিন থেকেই ঘুষ লেনদেনে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ সদস্য ওমর সানি।
লেনদেনের বিষয়ে পুলিশ সদস্য ওমর সানি খবর বাংলা (২৪) প্রতিবেদককে বলেন, ঘুষ লেনদেনে আমি একা জড়িত নই, অফিসের বড় বাবু থেকে ছোট বাবু, আনসার সদস্য, পুলিশ সদস্য সবাই কমবেশি ঘুষ লেনদেনের সাথে জড়িত, কেউ তুলসীপাতা নয়। আমি যেটা নিছি সেটা থেকে আমার ইনচার্জ কুদ্দুস কে ভাগ দিতে হবে।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, আনসার সদস্যরা সবাই লক্ষ টাকার বিনিময়ে পোস্টিং নিয়ে আসে পাসপোর্ট অফিসে। অফিসে যোগদানের পরপরই জড়িয়ে পড়ে ঘুষ লেনদেনে।
তথ্য মতে, চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের আশেপাশে অন্তত প্রায় ৫০ জনের মত দালাল চক্র রয়েছে দালালদের মধ্য নাসির নামের প্রবাব শালি এক দালালের অনুসন্ধান পাওয়া যায় সক্রিয় রয়েছে।
তাদের অনেকেই পাসপোর্ট অফিসের ভিতর যাতায়াত লক্ষ্য করা যায়। দালালদের সাথে রয়েছে অফিসের অসৎ কর্মকর্তাদের শখ্যতা।
ঘুষ লেনদেনের বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক সাইদুল ইসলাম বলেন, ঘুষ লেনদেনে আমি ও অফিসের কেউ জড়িত নেই। তারপরেও আপনি যদি কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ দিতে পারবেন, আমি তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব।চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের পরিচালকের ছত্রছায়ায় দালাল চক্রের কর্মসংস্থা।

