
দেশের বাজারে আবারও কমেছে সোনারফঠ দাম। তবে মূল্যহ্রাসের পরও সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সোনা কেনা এখনও বেশ ব্যয়বহুল। নতুন দরে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গয়নার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। সে হিসেবে পাঁচ ভরি সোনার গয়না কিনতে ব্যয় হবে ১১ লাখ ৪ হাজার ২৯০ টাকা।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানায়, দেশের বাজারে তেজাবি (খাঁটি) সোনার মূল্য কমে যাওয়ায় নতুন করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দর কার্যকর হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ হাজার ১০০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ হাজার ৭৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগের দিনই সোনার দাম বাড়ানো হয়েছিল।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী—
২২ ক্যারেট: ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা প্রতি ভরি
২১ ক্যারেট: ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা প্রতি ভরি
১৮ ক্যারেট: ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা প্রতি ভরি
সনাতন পদ্ধতি: ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা প্রতি ভরি
এদিকে চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রতি ভরি সোনার গয়নার ওপর ২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারিত ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। আগে গয়নার মোট মূল্যের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হতো। নতুন ব্যবস্থায় ভ্যাট সোনার দামের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে, ফলে গয়না কেনার সময় ক্রেতাদের আলাদাভাবে ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে না।
আন্তর্জাতিক বাজারেও সোনার দামে কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। গোল্ডপ্রাইস ডট অর্গ-এর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ৪ হাজার ৪২ মার্কিন ডলার, যা আগের দিনের তুলনায় ৩২ ডলার কম। তবে গত এক মাসের হিসাবে বিশ্ববাজারে সোনার দাম এখনও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।
সোনার পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হয়েছিল সোনা। সেদিন এক লাফে প্রতি ভরির দাম ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছায়। সেই রেকর্ড দামের তুলনায় বর্তমানে প্রতি ভরি সোনার দাম ৬৫ হাজার ১৪২ টাকা কম রয়েছে।
ইতি/

