বীরের পুত্র তৃর্য’র নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে একধাপ এগিয়ে থাকবে

মোঃকামাল উদ্দিন প্রতিনিধিঃ

 

বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে অনেকে ছিলেন এবং আগামীতেও থাকবে এখনও আছেন, তা একটি সাংগঠনিক নিয়মের ধারাবাহিকতা রক্ষার পদপদবি মাত্র, কিন্ত আগে পরে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের মুল কর্ণধার হিসেবে সৈনিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা বীর বজলুল রহমানের সুযোগ্য পুত্র বঙ্গবন্ধু আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে তামজিদ বিন রহমান তৃর্য একধাপ এগিয়ে থাকবে। বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ তৃর্য ব্যতীত আর কহাও কাছে নিরাপদ নয়। বাংলা তথা বাংলাদেশের ইতিহাসের রাজপুত্র ছিলেন মহাকালের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উনার আওয়ামী লীগ যেমন উনাকে ছাড়া ইতিহাস লিখতে পারবেনা, এবং বঙ্গবন্ধু বিহীন আওয়ামী লীগ একসময় যেমন পথ হারিয়েছিল সেই পথ হারা আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য দায়িত্ব নিয়ে বঙ্গবন্ধুর রক্তের যোগ্য রাজনৈতিক উত্তরসূরী বঙ্গবন্ধুর কর্ন্যা শেখ হাসিনা দলের কান্ডারী হিসেবে হাত ধরেছেন এবং শেখ হাসিনার হাতদিয়ে আওয়ামী লীগ এগিয়ে যাচ্ছেন এবং আগামীতেও যাবে, তেমনি বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ ও বজলুল রহমানের যোগ্য সন্তান তৃর্য’র হাতধরে এগিয়ে যাবে তা কোন সন্দেহ নেই। আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন আজীবন মনে প্রাণে কাজ করেছেন এই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আন্দোলনের মাধ্যমে এই দেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছেন সেই ঘোষণার আলোকে এই দেশের আপামর জনসাধারণ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে অস্ত্র হাতে নিয়ে যুদ্ধ করে এই দেশকে স্বাধীন করেছেন, এই দেশের স্বাধীনতা আনার জন্য তিনি জীবনের সোনালী যৌবন বিভিন্ন ভাবে প্রায় পনেরটি বছর কারাগারের অন্ধকার কক্ষে কাটিয়েছন, একাধিক বার ফাঁসির মুখোমুখি হয়েছিল সেই জেল জুলুমের শিকার হয়ে আমাদেরকে একটি স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন। সেই মহাকালের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে জীবনবাজি রেখে যিনি বঙ্গবন্ধুর হত্যার সাথে জড়িতদেকে হত্যা করার মাধ্যমে ৭৫ এর ১৫ ই আগস্টের কালো রাতের জঘন্যতম ঘটনার রক্তের প্রতিশোধ নিতে নিতে গিয়ে জিয়াউর রহমানের সামরিক জান্তাদের হাতে গ্রেফতার হয়ে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার পাশাপাশি সামরিক আদালতের তথাকথিত বিচারের রায়ের ফাঁসির মুখোমুখি হওয়া থেকে আল্লাহর রহমতে ফাঁসির পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগকরা সহ একাধিক সমস্যার সমুখিন হওয়ার পরও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে জন নেত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি থেকে সুখের দুঃখে ভাগ নিয়ে মৃত্যুর আগ প্রযন্ত বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে যাওয়ার অন্যতম আস্থাভাজন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রহমানের হাতে গড়া এই বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে সুসংগঠিত করার বজলুল রহমানের রক্তের উত্তরসূরী বঙ্গবন্ধুর সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তামজিদ বিন রহমান তৃর্য’র নেতৃত্ব ছাড়া বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ আবারও পথ হারাবে। তাই আজ সময় এসেছে তৃর্য’ নেতৃত্বে সৈনিক লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য সংগঠনে দায়িত্বরত কিছু আগাছা কুগাছাকে চিহ্নিত করে সংগঠনকে অভিশাপ মুক্ত করার। বর্তমান সময়ের সাহসী পুরুষ তারুণ্যের প্রতীক মানবিক বিবেচনা সম্পুর্ন যুবক মেধাবী ও দক্ষ সংগঠক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত পরিবারের সন্তান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্নেহভাজন পুত্রেরমতো আস্হাশীল তরুণ নেতা, আগামী প্রজন্মের পথের দিশারি বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের একমাত্র বৈধ অভিভাবক তামজিদ বিন রহমান তৃর্য’র হাত ধরে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ সারা বাংলাদেশে তৃনমূল পর্যায়ে সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। আজকে কিছু কিছু তথাকথিত কাগজের নেতারা পায়তারা চালাচ্ছে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে সুসংগঠিত করার পরিবর্তে হানাহানি রাহাজানি গ্রুপিং রাজনৈতিক সংগঠনের রূপধারণ করতে। তাদের মনগড়া অনভিজ্ঞ সাংগঠনিক নিয়মনীতি বহিভূত সিদ্ধান্তঃ নিয়ে সারাদেশে যেই ভাবে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে বিতর্কিত করে তোলা হচ্ছে তা কিছু দিনের মধ্যেই অবসান ঘটবে ইনশাআল্লাহ। যাঁরা গুরুত্বপূর্ণ পদপদবি নিয়ে নিজের অবস্থানের কথা ভুলে গিয়ে হিরক রাজারমতো একক স্বৈরাচারী মনোভাবের বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগেকে বিপদগামী পথে ধাবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে তাদের জন্য অত্যন্ত দুঃসংবাদ তাঁরা তাদের অবস্থান ধরে রাখতে পারবেনা। তৃর্য সংগঠনকে সুসংগঠিত করার জন্য জাতির জনকের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক কলাকৌশল নিয়ে আদর্শবান সদস্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের তৃণমূল পর্যায়ে কমিটি গঠনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে একটি বৃহত্তর শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে পরিচিত লাভ করবে। আজকে যাঁরা পাদ পদবি নিয়ে তাদের পদকে ভুল পথে পরিচালনার মাধ্যমে সারাদেশের মানুষকে হাসাহাসি করার সুযোগ করে দিচ্ছে তাদেরই অবস্থা আরো বেগতিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে যখন বীরের পুত্র বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের একমাত্র বৈধ অভিভাবক তামজিদ বিন রহমান তৃর্য’র নেতৃত্বে যোগ্য রাজনৈতিক নেতাদের হাতে দায়িত্ব অর্পিত হবে তখন আজকের সুযোগসন্ধানীরা গালে হাতদিয়ে চেয়ে চেয়ে আপসোস করবে। নিজেকে নিজে সংগঠন হত্যাকারি হিসেবে দায়ী করে সংশোধন হওয়ার জন্য আহাজারি করবে, তা দেখার জন্য বজলুল রহমানের বক্তরা গভীর আগ্রহসহকারের অপেক্ষায় আছে। তাদের সাংগঠনিক নিয়মনীতি ও আচরণের তারা জনগণের কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করতে গিলেই তাদের মুখে থুঃথুঃ নিক্ষেপ করার সম্ভাবনা রয়েছে। আজকের যারা নিজেও হাসছে অন্যকেও হাসাচ্ছে, তারা কিন্তু তখন কান্নাকাটি করার সুযোগও পাবেকিনা সন্দেহ রয়েছে। আমরা এই যুগের এজজন বঙ্গবন্ধু চাই, তিনি যেন সকল বাঁধা বিপত্তির মাঝে-ও আমাদের বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগেকে বিপদগামী পথে ধাবিত হওয়া থেকে রক্ষা করে। যাকে আমরা মনে মনে নেতৃত্বের আসনে বসিয়ে বাস্তবতার ক্ষেত্রে পথের পথিকের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়ে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য এগিয়ে নিয়ে যাবে তিনি অন্য কেউ নয়, তিনি হলেন তামজিদ বিন রহমান তৃর্য। সেই মায়াবী চোখের সুদর্শন যুবক মেধাবী চৌকস রাজনৈতিক বুদ্ধি সম্পুর্ন নীতিবান নেতা হিসেবে পরিচিত তৃর্যকে নিয়ে আমরা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে সুসংগঠিত করার সংগ্রামে বিজয়গাঁথার মনমানসিকতা নিয়ে এগিয়ে যাবো। আমাদের নেতা এবং বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের একমাত্র বৈধ অভিভাবক তামজিদ বিন রহমান তৃর্য’র নির্দেশ ও পরামর্শে সাংগঠনিকভাবে আমাদের কর্মের মাধ্যমে আমরা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের নামসর্বস্ব কাগজের কমিটি গুলোকে পানিতে নিক্ষেপ করবো। সবাই জানেন নিশ্চয় কাগজের নৌকাদিয়ে শুকনো জায়গায় খেলনা করা যায়, কিন্তু বহন হিসেবে ব্যবহার করা যায়না। পানিতে ভিজলেই কাগজের নৌকার যেমন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়না, তেমনিভাবে নামসর্বস্ব কাগজের কমিটি গুলো পানিতে নিক্ষেপ করলে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। যাঁরা কাগজের কমিটি গঠনের জন্য বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করেছে তাদের মনে রাখার প্রয়োজন রয়েছে তারাতো নিজেরাই কাগজের বাঘ, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের একমাত্র বৈধ অভিভাবক তামজিদ বিন রহমান তৃর্য’ সামনে তারা কিছুই নয়, শুধু মাত্র পদপদবি নিয়ে নিজের অবস্থান থেকে নিজকে জাহিল করা ব্যতীত তাদের অন্য কিছু করার সুযোগ নেই। যাঁরা গঠনতন্ত্রের দোহাই দিয়ে কাগজের থ কৃত্রিম প্রাণ নিয়ে কাগজের কমিটির কাগজের বাঘ থেকে জীবন্ত সাংগঠনিক বাঘ রুপান্তর হওয়ার জন্য চেষ্টা করে আসছেন তাদের জানা উচিত ইচ্ছে করলে কোন কাগজের বাঘ, জঙ্গলে বাঘ হতে পারে না। কাগজের বাঘের ঠিকানা হলো ডুয়িং রুমে। বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে বাস্তবতা নিরিখে বাস্তব বাঘ হলো বজলুল রহমানের যোগ্য সন্তান তামজীদ বিন রহমান তৃর্য। তিনি কিন্ত একবার যাকে খাওয়ার জন্য শিকার করবে তাকে ধরাশায়ী করে বুকের রক্ত চুষে খাবে, তবে তৃর্য রক্তের সত্যিকারের বাঘের সাথে পাল্লা দিয়ে যায়, কাগজের বাঘের সাথে নয়। এখন যাঁরা তৃর্যকে অমান্য করে গঠনতন্ত্রের বিভ্রান্তি মূলক অপ্রচার চালিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নামসর্বস্ব কাগজের কমিটি অনুমোদন দিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করছে তারা কয়দিন পর নিজেরাই বিতর্কের রোষানলে পড়তে পারে। তৃর্য একজন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্নেহভাজন ছেলে সেই আগামীতে অনেক পথ এগিয়ে যাবে তাঁর মধ্যে একজন যোগ্য নেতা হওয়ারমতো যথেষ্ট সক্ষমতা রয়েছে। সেই একজন সত নিষ্ঠাবান মানবতারবাদী নেতা, তার দিকে সারাদেশে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের লক্ষ লক্ষ ভক্ত অনুরাগীরা থাকিয়ে আছে তিনি কি কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। সেই যেহেতু মূলধারার দায়িত্ব প্রাপ্ত বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের একমাত্র কর্ণধার চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তাঁর লাখ লাখ আদর্শবান নিবেদিত সদস্য। আমরা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সাধারণ সভা থেকে অনুমোদিত আহবায়ক কমিটি, আমাদের দায়ীত্ব হলো চট্টগ্রাম মহানগর আহবায়ক কমিটি গঠন করা, সেই সুবাদে আমরা সাংগঠনিক নিয়মনীতি অনুসরণ করে চট্টগ্রাম মহানগর আহবায়ক কমিটির উদ্যেগে প্রতিটি থানা কমিটি গঠন পূর্বক আগামী ২৫ শে মে সম্মেলনের মাধ্যমে একটি সুন্দর কমিটি তামজিদ বিন রহমান তৃর্যকে উপহার হিসেবে প্রদান করা, সেই সিদ্ধান্ত আমরা মথায় রেখে আমি একঝাঁক নেতা কর্মিকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। তামজিদ বিন রহমান তৃর্যকে চিন্তে হলে হযরত খোয়াজ খিজির রঃ চশমা পরিধান করে দেখতে হবে, তাহলে তৃর্য যে একজন পরিপূর্ণ মানুষ তা পতিয়মান হবে। খোয়াজ খিজির রঃ চশমা পরিধান করে দেখলে দেখা যাবে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে সুসংগঠিত করার নামে যাঁরা বিপদের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে তাদের আসল চরিত্র এবং চেহারা। খোয়াজ খিজির রঃ চশমা

আল্লাহর নির্দশে হজরত মুসা নবী পরিধান করে নিশ্চিত হয়েছিল সত্যিকারের আসল মানুষ কারা। ঠিক তেমনি চশমাটি যদি পরিধান করেতে পারলে প্রমানিত হবে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের প্রাণপুরুষ কারা? তাদের আসল চরিত্র ও রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হবে। আজকের রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাদের আসল চরিত্র নির্ণয় করা খুবই কঠিন, তাদের মুখদেখে বুঝাতেপারা খুবই কঠিন একটি কাজ। তাদের মুখের ভাষার সাথে বুকের মধ্যে লুকিয়ে রাখা কথার কোনো ধরণের মিলামিল পাওয়া যাবেনা। সত্যিকারের মিলা মিল আদর্শগত চিন্তা চেতনার বিশ্বাসী ও নির্ভিক মুক্ত চিন্তার মানুষ হিসেবে আমরা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তামজিদ বিন রহমান তৃর্যকে মেনে নিতে পারি। কারণ তাঁর শরীরে সত নিষ্ঠাবান আপোষহীন সাহসী মানুষের রক্ত রয়েছে। সেই কখনো রক্তের সাথে বেঈমানী করতে পারবেনা, অন্য দিকে প্রয়েজনে আদর্শগত চেতনার মানুষ হিসেবে প্রয়োজনে রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এগিয়ে যাবে তার বাবা বজলুল রহমানের মতো। তাই আমরা এই মেধাবী আদর্শবান আগামীর তারুণ্যের প্রতীক বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কান্ডারী তামজিদ বিন রহমান তৃর্য”র নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়ে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য এগিয়ে যাচ্ছি।

লেখকঃ সাংবাদিক, গবেষক,টেলিভিশন উপস্থাপক ও আহবায়ক – বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ চট্টগ্রাম মহানগর আহবায়ক কমিটি।

[recent_tabs]