
মো. কামাল উদ্দিন:
মহাকালের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছেন–নেতারা যদি নেতৃত্ব দিতে ভুল করে জনগণক তার খেসারত দিতে হয়। অযোগ্য নেতৃত্ব, নীতিহীন নেতা ও কাপুরুষ রাজনীতিবিদদের সঙ্গে কোনোদিন একসঙ্গে হয়ে দেশের কাজে নামতে নেই। তাতে দেশসেবার চেয়ে দেশের ও জনগণের সর্বনাশই বেশি হয়। রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের চারটি জিনিসের প্রয়োজন, তা হচ্ছে : নেতৃত্ব, ম্যানিফেস্টো বা আদর্শ, নিঃস্বার্থ কর্মী এবং সংগঠন। ভিক্ষুক জাতির ইজ্জত থাকে না। বিদেশ থেকে ভিক্ষা করে এনে দেশকে গড়া যাবে না। দেশের মধ্যেই পয়সা করতে হবে। বাংলার ঊর্বর মাটিতে যেমন সোনা ফলে, ঠিক তেমনি পরগাছাও জন্মায়। একইভাবে, বাংলাদেশে কতোকগুলো রাজনৈতিক পরগাছা রয়েছে, যারা বাংলার মানুষের বর্তমান দুঃখ-দুর্দশার জন্য দায়ী।- বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে অনেকে ছিলেন এবং আগামীতেও থাকবেন এখনও আছেন, তা একটি সাংগঠনিক নিয়মের ধারাবাহিকতা রক্ষার পদপদবি মাত্র, কিন্ত আগে পরে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের মুল কর্ণধার হিসেবে সৈনিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা বীর বজলুর রহমানের সুযোগ্য পুত্র বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে উদ্যোমী আত্মবিশ্বাসী সৈনিক লীগের প্রাণ পুরুষ, তামজিদ বিন রহমান তূর্য একধাপ এগিয়ে থাকবে। বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ তূর্য ব্যতীত আর কহারো কাছে নিরাপদ নয়। বাংলা তথা বাংলাদেশের ইতিহাসের রাজপুত্র ছিলেন মহাকালের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উনার আওয়ামী লীগ যেমন উনাকে ছাড়া ইতিহাস লিখতে পারবেনা এবং বঙ্গবন্ধু বিহীন আওয়ামী লীগ একসময় যেমন পথ হারিয়েছিল সেই পথ হারা আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য দায়িত্ব নিয়ে বঙ্গবন্ধুর রক্তের যোগ্য রাজনৈতিক উত্তরসূরী বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা দলের কান্ডারী হিসেবে হাত ধরেছেন সেই শেখ হাসিনার হাতদিয়ে আওয়ামী লীগ
এগিয়ে যাচ্ছেন এবং আগামীতেও যাবে, তেমনি বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ ও বজলুর রহমানের যোগ্য সন্তান তামজিদ বিন রহমান তূর্য’র হাতধরে এগিয়ে যাবে তা কোন সন্দেহ নেই। আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন আজীবন মনে প্রাণে কাজ করেছেন, এই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আন্দোলনের মাধ্যমে এই দেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছেন সেই বঙ্গবন্ধুর ঘোষণার আলোকে এই দেশের আপামর জনসাধারণ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে অস্ত্র হাতে নিয়ে যুদ্ধ করে এই দেশকে স্বাধীন করেছেন।এই দেশের স্বাধীনতা আনার জন্য তিনি জীবনের সোনালী যৌবন বিভিন্ন ভাবে প্রায় পনেরটি বছর কারাগারের অন্ধকার কক্ষে কাটিয়েছন, একাধিক বার ফাঁসির মুখোমুখি হয়েছিল সেই জেল জুলুমের শিকার হয়ে আমাদেরকে একটি স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন। সেই মহাকালের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে জীবনবাজি রেখে যিনি বঙ্গবন্ধুর হত্যার সাথে জড়িতদেকে হত্যা করার মাধ্যমে ৭৫ এর ১৫ ই আগস্টের কালো রাতের জঘন্যতম ঘটনার রক্তের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে জিয়াউর রহমানের সামরিক জান্তাদের হাতে গ্রেফতার হয়ে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার পাশাপাশি সামরিক আদালতের তথাকথিত বিচারের রায়ের ফাঁসির মুখোমুখি হওয়া থেকে আল্লাহর রহমতে ফাঁসির পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগকরাসহ একাধিক সমস্যার সমুখিন হওয়ার পরও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে জন নেত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি থেকে সুখের দুঃখে ভাগ নিয়ে মৃত্যুর আগ প্রযন্ত বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে যাওয়ার অন্যতম আস্থাভাজন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রহমানের হাতে গড়া এই বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে সুসংগঠিত করার বজলুর রহমানের রক্তের উত্তরসূরী বঙ্গবন্ধুর সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তামজিদ বিন রহমান তূর্য’র নেতৃত্ব ছাড়া বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ আবারও পথ হারাবে। তাই আজ সময় এসেছে তৃর্যর নেতৃত্বে সৈনিক লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য সংগঠনে দায়িত্বরত কিছু আগাছা কুগাছাকে চিহ্নিত করে সংগঠনকে অভিশাপ মুক্ত করার। বর্তমান সময়ের সাহসী পুরুষ তারুণ্যের প্রতীক মানবিক বিবেচনা সম্পুর্ন যুবক মেধাবী ও দক্ষ সংগঠক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত পরিবারের সন্তান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্নেহভাজন পুত্রের মতো আস্হাশীল তরুণ নেতা, আগামী প্রজন্মের পথের দিশারী বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের একমাত্র বৈধ অভিভাবক তামজিদ বিন রহমান তূর্য’র হাত ধরে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ সারা বাংলাদেশে তূনমূল পর্যায়ে সুপ্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ। তবে
আজকে দেখা যাচ্ছে কিছু কিছু তথাকথিত কাগজের নেতারা পায়তারা চালাচ্ছে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে সুসংগঠিত করার পরিবর্তে হানাহানি রাহাজানি গ্রুপিং রাজনৈতিক সংগঠনের রূপান্তর করতে। তাদের মনগড়া অনভিজ্ঞ, সাংগঠনিক নিয়মনীতি বহিভূত সিদ্ধান্ত নিয়ে সারাদেশে যেই ভাবে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে বিতর্কিত করে তোলা হচ্ছে তা কিছু দিনের মধ্যেই অবসান ঘটবে ইনশাআল্লাহ। যাঁরা গুরুত্বপূর্ণ পদ পদবি নিয়ে নিজের অবস্থানের কথা ভুলে গিয়ে হিরক রাজারমতো একক স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগেকে বিপদগামী পথে ধাবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে তাদের জন্য অত্যন্ত দুঃসংবাদ হচ্ছে, তাঁরা তাদের এই অবস্থান ধরে রাখতে পারবেনা! তৃর্য সাহেব সংগঠনকে সুসংগঠিত করার জন্য জাতির জনকের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক কলাকৌশল অনুসরণ করে
আদর্শবান সদস্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের তূণমূল পর্যায়ে কমিটি গঠনের মাধ্যমে, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে একটি বৃহত্তর শক্তিশালী সুপরিচিত সুনামধন্য একটি আদর্শবান সংগঠনের বাস্তব মুখি রূপ দেওয়া চেষ্টা চালিয়ে আসছে।
আজকে যাঁরা পদ পদবি নিয়ে তাদের পদের গুরুত্বকে সঠিক পথে পরিচালিত না করে বেঈমান মীর জাফর ও খন্দকার মোশতাকের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়ে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে
ভুল পথে পরিচালনার মাধ্যমে সারাদেশের মানুষকে হাসাহাসি করার সুযোগ করে দিচ্ছে। তনে অপ্রিয় হলেও সত্যি, তাদের সাংগঠনিক
অবস্থা আরো বেগতিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তূণমূল পর্যায়ে যখন বীরের পুত্র বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের একমাত্র বৈধ অভিভাবক তামজিদ বিন রহমান তূর্য’র নেতৃত্বে যোগ্য রাজনৈতিক নেতাদের হাতে যখন দায়িত্ব অর্পিত হবে, তখন আজকের সুযোগ সন্ধানীরা গালে হাতদিয়ে চেয়ে চেয়ে আপসোস করা ব্যতীত কোন উপায় থাকবেন, যা অতীতের বিভিন্ন ইতিহাস পর্যালোচনা করলে তা প্রতিয়মান হবে। তার একদিন, নিজেকে-নিজে এই বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের হত্যাকারি হিসেবে দায়ী করে স্বীকার করতে বাধ্য হবে।তখন তারা সংশোধন হয়ে পূর্ণরায় কাজকরার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে সুযোগ ভিক্ষা কামনা বেঈমান থেকে ভালো হওয়ার জন্য আহাজারি করবে। তা দেখার জন্য বজলুর রহমানের বক্তরা গভীর আগ্রহসহকারের অপেক্ষায় আছে এবং থাকবে। তাদের সাংগঠনিক নিয়মনীতি ও আচরণের জন্য তারা জনগণের কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করতে গিলেই তাদের মুখে থুঃথুঃ নিক্ষেপ করার সম্ভাবনা রয়েছে। আজকে যাঁরা নিজে নিজে হাসছে অন্যকেও হাসাচ্ছে, তারা কিন্তু তখন কান্নাকাটি করার সুযোগ খোঁজে পাবেকিনা সন্দেহ রয়েছে। আমরা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের জন্য এই যুগের এজজন বঙ্গবন্ধু চাই, তিনি যেন সকল বাঁধা বিপত্তির মাঝে-ও আমাদের বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগেকে বিপদগামীতার পথে ধাবিত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। যাঁকে আমরা মনে মনে নেতৃত্বের আসনে বসিয়ে বাস্তবতার ক্ষেত্রে পথহারা পথের পথিকের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়ে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য এগিয়ে নিয়ে যাবে, তিনি অন্য কেউ নয়, তিনি হলেন তামজিদ বিন রহমান তৃর্য। মায়াবী চোখের সুদর্শন যুবক, মেধাবী চৌকস রাজনৈতিক বুদ্ধি সম্পুর্ন নীতিবান নেতা হিসেবে পরিচিত সেই তূর্য ভাইয়ের সাথে আমরা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে সুসংগঠিত করার সংগ্রামে বিজয়গাঁথার মনমানসিকতা মনোবল নিয়ে এগিয়ে যাবো। আমাদের নেতা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের একমাত্র বৈধ অভিভাবক তামজিদ বিন রহমান তূর্য’র নির্দেশ ও পরামর্শে সাংগঠনিকভাবে আমাদের কর্মের মাধ্যমে আমরা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের নামসর্বস্ব কাগজের কমিটি গুলোকে পানিতে নিক্ষেপ করবো। সবাই জানেন নিশ্চয় কাগজের নৌকাদিয়ে শুকনো জায়গায় খেলনা করা যায়, কিন্তু বাহন হিসেবে ব্যবহার করা যায়না। পানিতে ভিজে গেলে কাগজের নৌকার যেমন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়না, তেমনিভাবে নামসর্বস্ব কাগজের কমিটি গুলো পানিতে নিক্ষেপ করলে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। যাঁরা কাগজের কমিটি গঠনের জন্য বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করেছেন তাদের মনে রাখার প্রয়োজন রয়েছে তারাতো নিজেরাই কাগজের বাঘ! বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের একমাত্র বৈধ অভিভাবক তামজিদ বিন রহমান তৃর্য সেই কর্মবীর, তরুণদের আইকন বাস্তবে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগে সাংগঠনিক সাংগঠনিক বাঘ তূর্য ভাইয়ের সামনে ঐ কাগজের বাঘ কিছুই নয়। শুধু মাত্র পদপদবি নিয়ে নিজের অবস্থান থেকে নিজকে জাহিল করা ব্যতীত তাদের অন্য কিছু করার সুযোগ ও যোগ্যতা বলতে কিছুই
নেই। যাঁরা গঠনতন্ত্রের দোহাই দিয়ে কাগজের কৃত্রিম প্রাণ নিয়ে কাগজের কমিটির কাগজের বাঘ থেকে জীবন্ত সাংগঠনিক বাঘ রুপান্তর হওয়ার জন্য যাঁরা চেষ্টা করে আসছেন, তাদের জানা উচিত,কেউ ইচ্ছে করলে কোন ধরনের কাগজের বাঘ, বনের বাঘ হতে পারে না। কাগজের বাঘের ঠিকানা হলো ডুয়িং রুমে। আসলেই বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের বাস্তবতা নিরিখে বাস্তব বাঘ হলো বজলুর রহমানের যোগ্য সন্তান তামজীদ বিন রহমান তূর্য। তিনি কিন্ত একবার যাকে খাওয়ার জন্য শিকার করবে তাকে ধরাশায়ী করে বুকের রক্ত চুষে খাবে। সবাই নিশ্চয় অবগত আছেন সত্যিকারের বাঘের সাথে অন্য বাঘের পাল্লা দেওয়া যায়, কিন্তু কাগজের বাঘের সাথেতে পাল্লা কখনো হবেনা । এখন যাঁরা তূর্যকে অমান্য করে গঠনতন্ত্রের বিভ্রান্তি মূলক অপ্রচার চালিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নামসর্বস্ব কাগজের কমিটি অনুমোদন দিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করছে তারা কয়দিন পর নিজেরাই বিতর্কের রোষানলে পড়তে পারে। তবে মনে রাখবেন বঙ্গবন্ধু সৈনিক হিসেবে লীগের গঠন্তন্ত্র আল্লাহর কোরান নয়, এবং বাংলাদেশের সংবিধানও নয়, এই গঠনতন্ত্রে যা-ই লেখা থাকুক না কেন যদি আমাদের রাষ্ট্রের মূল সংবিধানের সাথে মত প্রকাশ ও অধিকার নিশ্চিত এবং গণতান্ত্রিক বিষয়ে সাংঘর্ষিক হয় সংগঠনের কার্য নির্বাহী পরিষদের সাধারণ সভার সিদ্ধান্তকে অমান্য করে সভাপতির একক ক্ষমতাবলে অপমান সূলভ শাসন করার জন্য মনগড়া অসাংবিধানিক স্বৈরাচারী মনোভাবের আচরণ করার মাধ্যমে কমিটি পরিবর্তন পরিবর্ধন বা কোন কারণ ছাড়া বাতিল বলে সভার সিদ্ধান্ত বিহীন ঘোষণা দেওয়া এবং সম্মেলনের মাধ্যমে কার্যকর কমিটি গঠন করার নিয়ম ভঙ পূর্বক একক ভাবে অগণতান্ত্রিক শাসকের মতো কাগজের কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংগঠনের সাথে প্রহসন করা, তা রাষ্ট্রের সংবিধান ও আইনগতভাবে সম্পুর্ন অবৈধ বলে গণ্য হবে। আপনি আপনার গঠনতন্ত্রে যাই লিখেননা কেন, রাষ্ট্রের সংবিধানের পরিপন্থী যে কোন অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত কখনো বৈধ হতে পারেনা। ঠিক তেমনি বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সাধারণ সভা ব্যতীত সভাপতির একক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং দেওয়া বৈধ নয়। মনে রাখবেন অবৈধ চুক্তি যেমন কখনো চুক্তি হতে পারেনা তেমনি গঠনতন্ত্রে অবৈধ সিদ্ধান্ত লেখা থাকলেও তা কখনো বৈধ হিসেবে প্রতিয়মান হবেনা। এই ধরনের মনগড়া অসাংবিধানিক স্বৈরাচারী মনোভাবের আচরণের বিরুদ্ধে মাননীয় আদালতের দ্বারস্থ হয়ে এই তথাকথিত গঠনতন্ত্রের আলোকে সব গুলোর সিদ্ধান্তে উচিৎ বিচার কামনা করলে বিচার পাওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তার জবাব কে দেবে, বলেনতো-তূর্যভাই একজন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্নেহভাজন ছেলে সেই আগামীতে অনেক পথ এগিয়ে যাবে তাঁর মধ্যে একজন যোগ্য নেতা হওয়ারমতো যথেষ্ট সক্ষমতা ও সম্ভবনা রয়েছে। সেই একজন সত নিষ্ঠাবান মানবতারবাদী নেতা, তার দিকে সারাদেশের বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের লক্ষ লক্ষ ভক্ত অনুরাগীরা থাকিয়ে আছে, তিনি কি কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বা নিবেন,তূর্য সাহেব যেহেতু মূলধারার দায়িত্ব প্রাপ্ত বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের একমাত্র কর্ণধার চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তাঁর লাখ লাখ আদর্শবান নিবেদিত সদস্যরা । আমরা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সাধারণ সভা থেকে অনুমোদিত আহবায়ক কমিটি, আমাদের দায়ীত্ব হলো চট্টগ্রাম মহানগর আহবায়ক কমিটির মাধ্যমে নগরীর প্রতিটি থানা এবং ওয়ার্ড কমিটি গঠন করে একটি সুন্দর সম্মেলন উপহার দেওয়া। সেই সুবাদে আমরা সাংগঠনিক নিয়মনীতি অনুসরণ করে চট্টগ্রাম মহানগর আহবায়ক কমিটির উদ্যেগে প্রতিটি থানা কমিটি গঠন পূর্বক আগামী ২৫ শে মে সম্মেলনের মাধ্যমে একটি সুন্দর কমিটি তামজিদ বিন রহমান তূর্যকে উপহার হিসেবে প্রদান করবো ইনশাআল্লাহ। সেই সিদ্ধান্ত মাথায় রেখে আমি একঝাঁক নেতা কর্মিকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। তামজিদ বিন রহমান তূর্যকে চিন্তে হলে হযরত খোয়াজ খিজির রঃ চশমা পরিধান করে দেখতে হবে, তাহলে তূর্য যে একজন পরিপূর্ণ মানুষ তা পতিয়মান হবে। খোয়াজ খিজির রঃ চশমা পরিধান করে দেখলে দেখা যাবে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে সুসংগঠিত করার নামে যাঁরা বিপদের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে তাদের আসল চরিত্র এবং চেহারা। খোয়াজ খিজির রঃ চশমা
আল্লাহর নির্দশে হজরত মুসা নবী
পরিধান করে নিশ্চিত হয়েছিল সত্যিকারের আসল মানুষ কারা। ঠিক তেমনি চশমাটি যদি পরিধান করেতে পারলে প্রমানিত হবে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের প্রাণপুরুষ কারা? তাদের আসল চরিত্র ও রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হবে। আজকের রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাদের আসল চরিত্র নির্ণয় করা খুবই কঠিন, তাদের মুখদেখে বুঝাতেপারা খুবই কঠিন একটি কাজ। তাদের মুখের ভাষার সাথে বুকের মধ্যে লুকিয়ে রাখা কথার কোনো ধরণের মিলামিল পাওয়া যাবেনা। সত্যিকারের মিলামিল আদর্শগত চিন্তা চেতনার বিশ্বাসী ও নির্ভিক মুক্ত চিন্তার মানুষ হিসেবে আমরা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তামজিদ বিন রহমান তূর্যকে মেনে নিতে পারি। কারণ তাঁর শরীরে সত নিষ্ঠাবান আপোষহীন সাহসী মানুষের রক্ত রয়েছে। সেই কখনো রক্তের সাথে বেঈমানী করতে পারবেনা, অন্য দিকে প্রয়েজনে আদর্শগত চেতনার মানুষ হিসেবে প্রয়োজনে রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এগিয়ে যাবে তার বাবা বজলুল রহমানের মতো। তাই আমরা এই মেধাবী আদর্শবান আগামীর তারুণ্যের প্রতীক বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কান্ডারী তামজিদ বিন রহমান তূর্য”র নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়ে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এই এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের কিছু কিছু কথা শুনা বা মান্তে হবে,যেমন—
মি: টমাস বলছেন, রাজনীতি বা ব্যবসায় নেতা পছন্দ করার ক্ষেত্রে আমরা বিবেচনাযোগ্য দায়িত্বশীলতার মুখোমুখি হই কিন্তু আমরা তাদের নির্বাচন করি -কিন্তু সেটা আমাদের প্রতিষ্ঠান বা দেশের জন্য ভালো না মন্দ তা যাচাই করা হয় না।
“আমরা সিদ্ধান্ত নেই কিন্তু আমাদের হাতে পর্যাপ্ত তথ্য থাকে না যা দিয়ে বুঝা যায় যে এসব নেতারা ভালো করবেন কি-না। পরিণামে তাদের নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা আছে কি-না সেদিকে মনোযোগ না দিয়ে আমরা স্টাইল বা এমন বিষয়ের দিকে মনোযোগ দেই”। তাঁর মতে, “আমরা যোগ্যতার চেয়ে আত্মবিশ্বাসের ওপর বেশি দৃষ্টি দেই এবং প্রায় সময়েই আমরা জব ইন্টারভিউ বা টেলিভিশন বিতর্কের মতো অল্প সময়ের আলাপচারিতার ওপর ভিত্তি করেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি।” দ্বিতীয়ত: বিনয়ের চেয়ে ক্যারিশমা গুরুত্ব পায় বেশি। তৃতীয়ত: নেতাদের আমরা স্বার্থপরের মতো এমনভাবে মানতে শুরু করি যা সবচেয়ে উদ্বেগজনক।
একই ভুল বারবার করার কারণ ও ভুল ব্যক্তিকে নির্বাচন করা।
‘সম্ভবত আমরা আসলে সেরা ব্যক্তিকেই চাকুরীতে দেখতে চাই না’ বলছেন মনোবিদ মি: টমাস।
তাঁর মতে. অনেক সময় মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ স্বল্প মেয়াদী লক্ষ্য ঠিক করে। তাদের মন্তব্য থাকে ‘এই ব্যক্তি সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে পারবে’। “প্রতিটি সংগঠন বা ব্যবসায় নেতৃত্বে যারা আছেন তাদের কাজের মূল্যায়ন হওয়া উচিত এভাবে যে তারা অধীনস্থদের বা টিমকে কতটা প্রভাবিত করতে পেরেছেন”কোম্পানি বা ডেমোক্রেসি- অযোগ্য নেতাদের সরানোর কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বাতলে দিয়েছেন লেখক ও মনোবিদ ড: টমাস চামোরো পিরেমুজিক। ১. ভোটে হোক আর হায়ার করে আনা হোক, কয়েকটি বিষয় যত্ন সহকারে বিবেচনা করতে হবে। যেমন- যোগ্যতা, দক্ষতা, বিনয়, আত্ম সচেতনতা, সততা ও শেখার ক্ষমতা। ২. ধারণা নয় বরং তথ্য উপাত্তের ওপর নির্ভর করা।
৩. লিঙ্গ বৈচিত্র্যের ক্ষেত্রে লিঙ্গকে নয় বরং মেধাকে গুরুত্ব দেয়া।ভালো নেতা হতে ভালো দক্ষতা অর্জন দরকার।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বলেছেন– একজন রাজনৈতিক নেতা হতে হলে সবার আগে দেশের মানুষের কল্যানে কাজ করার পাশাপাশি দলকে ভালো বাসতে হবে, দলের বিভক্ত করণের জন্য যে নেতা কর্মিদেরকে ভুলপথে নিয়ে যায় সেই কখনো সত্যিকারের দেশ প্রেমি নেতা হতে পারেনা।মনে রাখবেন হাজারে যোগ্য নেতার মৃত্যুর চেয়ে একজন অযোগ্য নেতা যদি গুরুত্বপূর্ণ পদে বা ক্ষমতায় বসেন তাতে ক্ষতি বেশি হবে। তাই একজন অনভিজ্ঞ অযোগ্য মানুষকে ভুলবশত সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাহেল নিশ্চিত ঐ সংগঠন অথবা রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক মৃত্যু অবধারিত তা কেউ ঠেকাতে পারবেনা। তাই বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগকে সাংগঠনিকভাবে সমাধি করার আগে যে সব অযোগ্যরা রয়েছে তাদেরকে চিহ্নিত করে তাদের সাংগঠনিক সিদ্ধান্তকে প্রতিহত করারব প্রয়োজন। পরিশেষে বঙ্গবন্ধুর কথা দিয়ে শেষ করবো-তিনি বলেছিলেন অদক্ষ অযোগ্য নেতাদের কাছ থেকে দুরে থাকতে হবে।
লেখকঃ সাংবাদিক, গবেষক,টেলিভিশন উপস্থাপক ও আহবায়ক – বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ চট্টগ্রাম মহানগর আহবায়ক কমিটি।

