৩৩৫ রোগীকে চিকিৎসা দিলেন ভুয়া ডাক্তার

সুদর্শন আচার্য্য, মদন নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ

 

নেত্রকোণার মদনে এক ভুয়া ডাক্তারকে আটক করেছে জনতা।বেশ কয়েক দিন ধরে মদন পৌর শহরের স্বদেশ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মেডিসিন, মা ও শিশু, যৌন ও চর্ম রোগ অভিজ্ঞ ডাঃ সাধন কুমার মন্ডল বিএমডিসি রেজিঃ নং এ ১১৩০৯৯ এই পরিচয় ব‍্যবহার করে ৫০০ টাকা ভিজিট নিয়ে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছিলেন।

ডাক্তার পরিচয়ধারী ব‍্যাক্তিটি এ পরর্যন্ত প্রায় ৩৩৫ রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছেন। মূলত সে একজন প্রতারক ও ভূয়া চিকিৎসক এমন একটি সংবাদ স্থানীয় লোকজনকানে আসে।এরি প্রেক্ষিতে শনিবার সন্ধ্যায় উক্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্থানীয়রা তার খোঁজ করলে, সে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় এলাকার লোকজন তাকে উপজেলা নিরর্বাহী কার্যালয়ে নিয়ে গেলে মোঃ শাহ আলম মিয়া ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডাঃ তায়েব হোসেন তার সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করে জানান যে, সে এক জন ভূয়া চিকিৎসক।চট্টগ্রামের একজন ডাক্তারের নাম ও রেজিঃ নং ব‍্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করে আসছে। তার আসল নাম শংকর দাস (২৮) পিতা সুমেশ দাস।সে টাঙ্গাইল ধনবাড়িয়া উপজেলার বাসিন্দা।তার কাছে ভিন্ন নামের তিনটি আইডি কার্ড পাওয়া গেছে। আমরা তাকে পুলিশে সোপর্দ করেছি।

ভুয়া ডাক্তার শংকর দাস সাংবাদিকদের জানান, আমি কোন ডাক্তার না।আমি অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে এমন প্রতারণা করেছি। আমি দেড় মাস যাবৎ স্বদেশ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকগণে সহযোগিতায় ডাক্তার সেজে রোগী দেখছি।স্বদেশ ডায়াগানস্টিক সেন্টারের মালিক পক্ষের খাইয়ুম জানান, সে আমাদের সাথেও প্রতারণা করেছে।ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া কি সঠিক হয়েছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি নিরবতা অবলম্বন করেন।

 

মদন থানার ওসি উজ্জল কান্তি সরকার জানান, শংকর দাস নামে একজন ভুয়া ডাক্তার কে আটক করে ইউএনও সাহেব থানায় সোপর্দ করেছে।আমি প্রকৃত ডাক্তার সাধন কুমার মন্ডলের সাথে যোগাযোগ করেছি। তিনি চট্টগ্রাম হতে রওনা দিয়েছেন।তিনি আসার পর আটককৃত ভুয়া ডাক্তার শংকর দাসের বিরুদ্ধে আইন গত ব‍্যবস্থা নেওয়া হবে।

[recent_tabs]