
রুশমী আক্তার,চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
লোহাগাড়ায় অবৈধভাবে গাছ কেটে ও পুকুরের মাছ লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।লোহাগাড়া উপজেলার সদর ইউনিয়ন দয়ার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. সমশুল ইসলামের ছেলে মো. ফরহাদুল আলম ও তার পরিবারের সদস্যরা রবিবার (৩০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় লোহাগাড়া বটতলি মোটরস্টেশস্থ একটি রেস্টুরেন্টের হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
মো. ফরহাদুল আলম বলেন, ১৯৪২ সালে ১১২৬ নং কবলা মূলে আমার দাদা আহমদ ৬২২ শতক জমি ক্রয় করেন। দাদা মারা যাওয়ায় উত্তরাধিকার সূত্রে আমার বাবা সমশুল ইসলাম ও ফুফু মমতাজ বেগম উক্ত সম্পত্তির মালিক হন। হঠৎ গত ২৯ জুন সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ডা: জামাল হোসেনের নির্দেশে ২০/৩০ জন লোক সন্ত্রাসী কায়দায় শতবছরের পুরনো বসতঘর, পুকুরের মাছ লুঠ ও গাছপালা কেটে ফেলে দখলের চেষ্টা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ফরহাদ আরো জানান, শতবছরের পুরনো বসতঘর, পুকুরের মাছ লুঠ ও গাছপালা কেটে ফেলার কারণ জানতে চাইলে প্রাণ নাশের হুমকি, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকি দিয়ে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হাকরতে আসেন। নিজেদের রক্ষার জন্য ঘটনাস্থল ত্যাগ করে ৯৯৯ এ ফোন দিই। আমাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তিনি জমি দখল ও আত্মসাতের মতো জঘন্য কাজে লিপ্ত হয়েছেন। তিনি তাদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত বলেও জানান।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে মো. ফরহাদুল আলমের স্ত্রী রোজিনা আক্তার, ফুফাতো বোন মরিয়ম বেগম, দিলুয়ারা বেগম,ফুফাত ভাইয়ের স্ত্রী মরিয়ম বেগম ও অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

