লক্ষ্মীপুরে মানসিক প্রতিবন্ধী ফরহাদ কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না 

স ম জিয়াউর রহমান,প্রতিনিধিঃ

 

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ৪নং চররুহিতা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মধুর দোকান নতুন বেড়ী ফরহাদ পিতা- বাবুল হোসেন, মাতা – জেসমিন আক্তার ।

ফরহাদ নামে একটি ছেলে হারিয়ে গেছে। তার বয়স (১২) বছর। ১০/১০/২৪ইং তারিখ বৃহস্পতিবার সকাল অনুমানিক ১০:০০ ঘটিকায় সময় ফরহাদ হারিয়ে গেছে। ফরহাদ তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র স্কুল যাওয়ার পথে ও জনতা বাজার নামক স্থান হইতে নিখোঁজ হয় মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর বিকাল হইতে সদর থানায় নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে ফেইজবুকে হারান বিজ্ঞপ্তি ও মাইকিং এবং হারানো বিজ্ঞপ্তির লিপলেট বিতরণ করিয়াও কোনো সন্ধান পাই নাই। ফরহাদের এর মা সাংবাদিকদের কে বলেন, ফরহাদ তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র।

গায়ের জামা ছিল নিল সে মানসিক প্রতিবন্ধী সমাজে মানুষ তার দ্বারা কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। যুবদল নেতা আবুল বাশার ও রুবেল জানিয়েছেন, লক্ষ্মীপুর জেলাতে আমরা অনেক খোঁজা খুঁজি করেছেন, এবং প্রতি নিয়ত যোগাযোগ রাখছেন সদর থানাতে অনেক খোঁজা খুঁজি করে ও ফরহাদ কে এখনও পাওয়া যায়নি।

এলাকায় অনেক জায়গায় মাইকিং করা হয়েছে। যদি কোন সহৃদয় বান ব্যাক্তি তার সন্ধান পেয়ে বা দেখে থাকেন তাহলে এই নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

মোবাইল নং 01893040389.01849377306

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মুন্নাফ বলেন, ফরহাদ নামে একমানসিক প্রতিবন্ধী ছেলে হারিয়ে গিয়েছে এই বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে

Previous article
Next article
চাটগাঁইয়া নওজোয়ান: চট্টগ্রামের সংস্কৃতিচর্চার জাগরণে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র” -মো. কামাল উদ্দিনঃ ২৭ নভেম্বর, চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি থিয়েটার হলে আয়োজিত চাটগাঁইয়া নওজোয়ানের মাসিক আনন্দ আড্ডা এক অনন্য সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় রূপ নেয়। চট্টগ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এই আয়োজন শুধু একটি আড্ডা নয়; এটি ছিল শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন। চাটগাঁইয়া নওজোয়ানের প্রতিটি আয়োজন চট্টগ্রামের ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখার এক নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা, যা সংগঠনের প্রতিটি সদস্যের পরিশ্রম ও ভালোবাসার প্রতিফলন। সংগঠনের ইতিহাস ও অগ্রযাত্রা ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত চাটগাঁইয়া নওজোয়ান আজ সাত বছরের পথ অতিক্রম করে চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম হয়ে উঠেছে। সংগঠনের শুরু থেকেই সভাপতি জামাল আহমেদ দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি মানবিক ও সংস্কৃতিনির্ভর সংগঠন গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। তার আন্তরিকতা, সহযোগিতামূলক মনোভাব এবং সাংগঠনিক দক্ষতা এই সংগঠনকে একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। অনুষ্ঠানে জামাল আহমেদসহ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যদের সম্মাননা প্রদান ছিল আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। সেই সঙ্গে তাদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে স্বীকৃতি পত্র প্রদান সংগঠনের ঐতিহ্য এবং একতাকে আরও দৃঢ় করেছে। এ অনুষ্ঠানে আমাকেও মঞ্চে ডেকে রজনীগন্ধা ও গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়, যা আমার জন্য গভীর আনন্দ ও গর্বের মুহূর্ত ছিল। সংগঠনের বৈশিষ্ট্য ও কার্যক্রম চাটগাঁইয়া নওজোয়ানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো তাদের সাংস্কৃতিক ও মানবিক উদ্যোগ। এটি শুধু একটি সংগঠন নয়, বরং একটি পরিবার, যেখানে সদস্যদের আনন্দ-উল্লাস, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং সংস্কৃতিচর্চা একত্রে বিকশিত হয়। সাংস্কৃতিক কার্যক্রম: চাটগাঁইয়া নওজোয়ান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী গান ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার পাশাপাশি বাঙালি সাহিত্য ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক। সংগঠনের ‘বৈঠকখানা’ এবং ‘আরাধনা’ নামের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো শিল্প ও সংস্কৃতির চর্চার জন্য এক দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ। মানবিক কর্মকাণ্ড: করোনাকালে সংগঠনের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি চট্টগ্রামের সংস্কৃতি জগতে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। অসহায় শিল্পীদের পাশে দাঁড়িয়ে তারা যে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে, তা প্রশংসার যোগ্য। উৎসব ও শ্রদ্ধানিবেদন: সংগঠনের প্রতিটি সদস্যের জন্মদিন অত্যন্ত ঝাঁকঝমক পূর্ণভাবে উদ্‌যাপন করা হয়। প্রয়াত সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের স্মরণ করা হয়, যা চাটগাঁইয়া নওজোয়ানের মানবিক দিকটি আরও সুস্পষ্ট করে। জাতীয় দিবস পালন: সংগঠনটি জাতীয় দিবসগুলো যথাযথ মর্যাদায় পালন করে, যা তাদের সাংস্কৃতিক দায়িত্ববোধের পরিচায়ক। প্রতিষ্ঠার মূলমন্ত্র ও অঙ্গীকার চাটগাঁইয়া নওজোয়ানের মূলমন্ত্র হলো অসাম্প্রদায়িকতা, মানবিকতা এবং সংস্কৃতির সঠিক চর্চা। এটি চট্টগ্রামের তরুণ প্রজন্মকে ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি তাদের মানবিক ও নান্দনিক গুণাবলির বিকাশে সহায়তা করে। একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে চাটগাঁইয়া নওজোয়ান শুধু একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন নয়, এটি একটি অনুপ্রেরণার নাম। সংগঠনের প্রতিটি কার্যক্রম প্রমাণ করে যে সংস্কৃতি কেবল বিনোদনের জন্য নয়; এটি মানবিকতা, ঐক্য এবং প্রগতির প্রতীক। আমি গর্বিত যে আমি শুরু থেকেই এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। প্রতিটি আয়োজনের অংশ হতে পেরে আমি ধন্য। চাটগাঁইয়া নওজোয়ান চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করতে যে অবদান রাখছে, তা অমূল্য। তাদের পথচলা অনন্তকাল অব্যাহত থাকুক।
[recent_tabs]