
মো: জিয়া উদ্দিন চন্দনাইশ প্রতিনিধি:
গতকাল গভীর রাতে চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড ডেবারকুল আবদুল হাই মেম্বারের বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিয়ে যাওয়া গরু গুলোর আনুমানিক মূল্য ১২ লক্ষ টাকা বলে দাবি করছেন ক্ষতিগ্রস্থ খামারি জসিম উদ্দীন।
এসময় তিনি বলেন, রাতের অন্ধকারে ১৫ থেকে ২০ জন ডাকাত অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে খামারে প্রবেশ করে গরু ট্রাকে তোলার সময় টের পেয়ে খামারের মালিক জসিম ঘরের দরজা খোলার সাথে সাথে জসিম ও তার ছেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে ফেলে।
এসময় তারা ৬টি গরু এবং বাড়িতে ঢুকে একজোড়া স্বর্ণের দুল, ১টি আংটি ও নগদ ১০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এ ঘটনায় চন্দনাইশ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জসিম উদ্দিন।
এদিকে চন্দনাইশে সম্প্রতি গরু চুরি বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কে – উদ্বিগ্নে দিন কাটাচ্ছেন গরু পালনকারী কৃষক ও খামারীরা। প্রশাসন নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ভবিষ্যতে গরু পালন করার আগ্রহ কমে যাবে। জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরী। দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল গরু চুরি কিন্তু কিছুদিন ধরে গরু চুরি, ঘরবাড়ি চুরি বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ ব্যাপারে চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ ইমরান আল হোসাইন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলেও তিনি জানান।
সম্প্রতি গরু চুরি বেড়ে যাওয়ার ব্যাপারে তিনি জানান, আমার থানায় প্রয়োজনের তুলনায় ফোর্স কম। আমি প্রত্যেক এলাকায় এলাকাবাসীকে নিয়ে প্রয়োজনে পাহারা বসিয়ে গরু চুরি বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহন করব।এ ব্যাপারে তিনি এলাকাবাসির সহযোগিতা কামনা করেন।