“ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী: চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের সেবায় একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক”-মো. কামাল উদ্দিনঃ

মা ও শিশু হাসপাতাল চট্টগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রতিষ্ঠান, যা গরিব, অসহায় এবং দুঃস্থ মানুষের চিকিৎসা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা রেখে আসছে। এই হাসপাতালের সেবায় ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরীর অবদান সত্যিই অমূল্য। তিনি শুধু হাসপাতালের উন্নয়ন কাজেই মনোনিবেশ করেননি, বরং করোনা মহামারীসহ নানা সংকটময় সময়ে নিজের জীবনবাজি রেখে রোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর নিষ্ঠা, সেবার স্পৃহা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালকে উন্নতির নতুন মাত্রা দিয়েছে। এখনো পর্যন্ত তাঁর অবদান হাসপাতালের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয়েছে। তিনি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং গরিব রোগীদের সাহায্যার্থে নিয়মিত আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। করোনাকালীন সময়ে, যখন অনেকেই ভয় পেয়ে হাসপাতালে আসতে চাচ্ছিলেন না, তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রোগীদের সেবা করতে গেছেন। তাঁর এই নিঃস্বার্থ সেবা মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

এখন, আগামী ২১ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তাঁর সেবার মান উন্নত করার জন্য এবং হাসপাতালকে আরও শক্তিশালী করার জন্য ডোনার সদস্যদের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী শুধু চট্টগ্রামের সমাজসেবক হিসেবেই পরিচিত নন, তিনি এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত, যিনি মানবতার সেবায় নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। বিশেষ করে করোনা মহামারীর সময়, যখন সবাই ঘরবন্দি ছিল, তিনি নিজেকে জীবনবাজি রেখে করোনা রোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তিনি অকপটে হাসপাতালে গিয়েছেন, করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য নিজের সাধ্যমতো সহায়তা করেছেন। তাঁর এই অবদান শুধু হাসপাতালের কর্মী নয়, পুরো সমাজের কাছে এক মহান আদর্শ হয়ে উঠেছে।

করোনাকালীন সেবার সময়, যখন অনেকেই আতঙ্কে সরে দাঁড়িয়েছিল, তখন ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী সবার আগে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে, মুখে মাক্স ও হাতে গ্লাভস পরে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন। এর ফলে তিনি শুধু নিজের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেননি, বরং তাঁর এই নিঃস্বার্থ মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি চট্টগ্রামের মানুষের কাছে এক গভীর প্রভাব ফেলেছে।

এই সময়ে তাঁর ভূমিকা এক মহৎ সমাজসেবকের পরিচয় দিয়েছে। তাঁর নেতৃত্ব, সেবার স্পৃহা এবং সংকটে দৃঢ় অবস্থান সত্যিই প্রশংসনীয়। তার কর্মের মাধ্যমে, করোনা মহামারীর মতো সংকটকালেও অনেক মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। হাসপাতালের সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তিনি দিন-রাত পরিশ্রম করেছেন, শুধুমাত্র মানবতার কল্যাণের জন্য। ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরীর সেবামূলক কাজের অন্যতম উদাহরণ হল তার সহযোগিতা ও নেতৃত্বের মধ্যে এক আলোকিত মানবিকতার চিত্র। তিনি যে সমাজে, যেখানে দরকার সেবা, সেখানে আত্মত্যাগ করে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা প্রমাণ করে যে, একজন সমাজসেবক শুধু পেশাগত দিক থেকে সফল হতে পারে না, তার কাছে মানবতা, সহানুভূতি এবং ভালোবাসা থাকতে হবে। তাঁর অবদান শুধু চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং পুরো চট্টগ্রামবাসীর কাছে এক অমূল্য ধন। এমন একজন ব্যক্তি যখন নিজের পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজে আলোর প্রদীপ জ্বালিয়েছেন, তখন তাঁর এই মহান কাজ আরও প্রশংসিত হওয়ার যোগ্য। আগামী ২১ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ডোনার সদস্যদের সমর্থন ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরীকে আবারও ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনে সহায়তা করবে, যাতে তিনি আগামী দিনগুলিতে আরও বড় এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাজসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন।

জীবনযুদ্ধে যিনি হন আলোর দিশারি,মানবতার মর্মে আছেন যিনি সদা সংগ্রামী,জাবেদ আবছার চৌধুরী, সেবার অমল চরিত্র,চট্টগ্রামের প্রাণে, তিনি এক সমাজের হিরা। সমাজে এমন কিছু ব্যক্তি আছেন, যাঁদের নিঃস্বার্থ কাজ এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা একটি আলোকিত দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে। তাঁদের কর্ম এবং আদর্শ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকে। ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী তেমনই একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক। প্রকৌশল জগতে সাফল্য অর্জন করেও তিনি নিজের অর্জনকে শুধু পেশাগত সীমানায় আটকে রাখেননি; বরং সমাজের কল্যাণে নিবেদিত করেছেন। তাঁর কর্ম, মানবিকতা, এবং সেবার স্পৃহা চট্টগ্রামের সমাজে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

পারিবারিক ঐতিহ্য: মানবতার শেকড় ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরীর সমাজসেবার প্রতি নিবেদন এসেছে তার পারিবারিক শেকড় থেকে। তাঁর পিতা নুরুল আবসার চৌধুরী ছিলেন একজন মানবিক রাজনীতিক, যিনি চট্টগ্রামের উন্নয়ন আন্দোলনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত ছিলেন। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। নুরুল আবসার চৌধুরী তৎকালীন সফল মেয়র মীর নাছির উদ্দীনের উন্নয়ন উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন এবং চট্টগ্রামের উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। তার এই সেবামূলক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই জাবেদ আবছার চৌধুরী অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন।

মা ও শিশু হাসপাতালের সঙ্গে অঙ্গীকার ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। একজন ডোনার সদস্য হিসেবে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের জন্য নিজের অর্থ এবং সময় ব্যয় করেছেন। হাসপাতালের দুঃস্থ রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য তিনি নিরলসভাবে কাজ করেছেন। হাসপাতালের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এতটাই গভীর যে, তিনি এর সেবা কার্যক্রমকে এবাদত হিসেবে গ্রহণ করেছেন। দিনরাত পরিশ্রম করে তিনি নিশ্চিত করেছেন যাতে গরিব, দুঃস্থ এবং অসহায় রোগীরা এখানে সর্বোচ্চ সেবা পায়। হাসপাতালের উন্নয়নে ভূমিকা চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের আজকের অবস্থানে আসার পেছনে যাঁদের অবদান অনস্বীকার্য, তাঁদের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী অন্যতম। তিনি হাসপাতালের পরিচালনা কমিটিতে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তাঁর নেতৃত্বে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে উন্নতি সাধিত হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা থেকে শুরু করে অবকাঠামো উন্নয়ন—সব ক্ষেত্রেই তাঁর আন্তরিক ভূমিকা প্রশংসিত।

নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আগামী ২১ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের নির্বাচনে ডোনার সদস্যদের কোটা থেকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী। তিনি নির্বাচিত হলে হাসপাতালের সেবার মান উন্নত করা এবং নতুন পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করা তাঁর অঙ্গীকার। ডোনার সদস্যদের প্রতি তাঁর অনুরোধ, তাঁকে পুনরায় নির্বাচিত করে এই মহৎ কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক। একটি সমাজসেবকের প্রতিশ্রুতি ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরীর জীবনের প্রতিটি অধ্যায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়—মানবতার জন্য কাজ করাই জীবনের আসল উদ্দেশ্য। তাঁর উদ্যম, সততা, এবং কর্মপ্রচেষ্টা প্রমাণ করে যে একজন মানুষের একার প্রচেষ্টাও একটি বড় পরিবর্তন আনতে পারে। চট্টগ্রামের মানুষের জন্য তিনি একজন আলোকবর্তিকা, যিনি তার পিতা নুরুল আবসার চৌধুরীর সেবার আদর্শকে বহন করে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছেন। তাঁর মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ মানুষকে আমরা মা ও শিশু হাসপাতালের ডোনার কোটায় নির্বাচিত করতে পারলে তাতে একজন সমাজসেবকে প্রতি সম্মান জানালে হাসপাতালের সুনাম বৃদ্ধি পাবে- ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী তাঁর কর্ম ও নিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজসেবার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছেন। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের উন্নয়নে তাঁর অবদান, অসহায় মানুষের সেবায় তাঁর আন্তরিকতা এবং পারিবারিক মানবিক ঐতিহ্য থেকে পাওয়া অনুপ্রেরণা তাঁকে সমাজের একজন আলোকবর্তিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আগামী ২১ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ডোনার সদস্যদের সমর্থন তাঁর এই মানবিক যাত্রাকে আরও গতিশীল করতে পারে। তাঁর মতো নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবককে নির্বাচিত করা শুধু একটি দায়িত্ব নয়, বরং এটি একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার।

লেখকঃ সাংবাদিক গবেষক টেলিভিশন উপস্থাপন ও মহাসচিব চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম।

[recent_tabs]