, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 29° সে. | 💧 আদ্রতা 82%

জিইসি-টাইগারপাস-নিমতলায় র‌্যাম্প চালুর পথে

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম নগরীর শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ব্যবহার আরও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি র‌্যাম্প দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জিইসি মোড়, টাইগারপাস ও বন্দরসংলগ্ন নিমতলা এলাকায় নির্মিত চারটি র‌্যাম্প চালুর বিষয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্প-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব র‌্যাম্প চালু হলে নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা থেকে সরাসরি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠানামার সুযোগ বাড়বে। এতে এক্সপ্রেসওয়ের ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সড়ক যোগাযোগেও কিছুটা গতি আসতে পারে। এর আগে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নিমতলা, টাইগারপাস, জিইসি ও ফকিরহাটের কয়েকটি র‌্যাম্প দ্রুত চালুর পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল।

প্রায় ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ লালখান বাজার-পতেঙ্গা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল অবকাঠামোর নির্মাণকাজ শেষ হলেও দীর্ঘদিন ধরে র‌্যাম্পগুলোর কাজ ও চালু নিয়ে জটিলতা ছিল। প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৪ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা। বিভিন্ন পর্যায়ে র‌্যাম্পের সংখ্যা কমিয়ে বর্তমানে নয়টি র‌্যাম্পের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর মধ্যে জিইসি মোড়ের র‌্যাম্পটির নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এটি চালু হলে জিইসি ও আশপাশের এলাকার যানবাহন সরাসরি এক্সপ্রেসওয়েতে উঠে পতেঙ্গামুখী চলাচল করতে পারবে। বর্তমানে এ এলাকার অনেক যানবাহনকে বিকল্প পথ ব্যবহার করে এক্সপ্রেসওয়েতে উঠতে হচ্ছে।

টাইগারপাসের আমবাগানমুখী র‌্যাম্পটির নির্মাণকাজও শেষ হয়েছে। তবে র‌্যাম্পটি চালুর আগে সড়ক অবকাঠামো ও স্ট্রিট লাইট-সংক্রান্ত কিছু কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রকল্প-সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব কাজ শেষ হলে র‌্যাম্পটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।

অন্যদিকে বন্দরসংলগ্ন নিমতলা এলাকায় ওঠানামার দুটি র‌্যাম্প নির্মাণ শেষ হয়েছে। এগুলো চালু হলে বন্দর, নিমতলা ও আশপাশের এলাকার যানবাহনের জন্য এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের সুযোগ আরও সহজ হবে। ২০২৬ সালের মে মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নিমতলার দুটি র‌্যাম্প ও টাইগারপাসের আমবাগানমুখী র‌্যাম্পকে সম্পন্ন র‌্যাম্পগুলোর মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছিল।

প্রকল্প পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, জিইসি ও আমবাগানমুখী র‌্যাম্প এলাকায় থাকা সিটি করপোরেশনের স্ট্রিট লাইট সরিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। লাইটগুলো সরানো হলে র‌্যাম্প দুটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বন্দর এলাকার র‌্যাম্পগুলোও চালুর প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে আগ্রাবাদ ও সিইপিজেড এলাকার র‌্যাম্পগুলোর কাজও এগিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রকল্প-সংশ্লিষ্টরা। এসব র‌্যাম্প পর্যায়ক্রমে চালু হলে লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর সংযোগ আরও বাড়বে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, র‌্যাম্পগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে শুধু এক্সপ্রেসওয়ের ওপর নির্ভরশীলতা নয়, বরং নগরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে সরাসরি ওঠানামার সুযোগ তৈরি হওয়ায় পুরো ব্যবস্থাটির কার্যকারিতাও বাড়বে।

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত