প্রতারণায় পিএইচডি রাঙ্গুনিয়ার মানিক মির্জার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

রাঙ্গুনিয়ার উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের বাসিন্দা তৌহিদুল ইসলাম মানিক প্রকাশ মানিক মির্জা; যদিও স্থানীয়দের অভিমত তার পৈতৃকভিটা রাঙ্গুনিয়া নয়, এমনকি স্থানীয় ধণাঢ্য এক পরিবারের কন্যাকে ভাগিয়ে নিয়ে গিয়ে পরবর্তীতে এখানে বসতি গেড়েছে বলেও তথ্য পাওয়া যায়।

 

দীর্ঘ প্রবাস জীবনে মানিক মির্জা দীর্ঘদিন জাল পাসপোর্ট তৈরী, ওয়ার্ক পারমিট ভিসার প্রলোভন দেখিয়ে দেশের নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে টার্গেট করে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা! এছাড়াও কাতারে আবাসিক হোটেলে চাকরীর সুবাধে এলিট ক্লায়েন্টদের নারীর লোভ দেখিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ টাকা!

 

এমন নানান অবৈধ কর্মকান্ডে জড়িত থাকায় থেকে প্রায় তিন বছর আরব আমিরাতে জেল খাটে মানিক; পরবর্তীতে নানান দালালচক্রের মাধ্যমে জেল থেকে বেরিয়ে সেখান থেকে পাড়ি জমায় কাতার।

 

দুর্নীতি ও অবৈধ কর্মকান্ডের সকল নাড়িনক্ষত্র জানা আছে মানিক মির্জার, আর তাই জেল থেকে বেরিয়েও শুরু করেছে নিত্যনতুন কৌশলে প্রতারণা; যার শিকার হয়েছে দেশ বিদেশের অসংখ্য অসহায় মানুষ এমনকি বহু শিক্ষিত শ্রেণীও বোকা বনে গিয়েছে তার চল-চাতুরীর কাছে! এছাড়াও তার নামে বিয়ের পরও আছে অসংখ্য নারীঘটিত কেলেংকারীর অভিযোগ! বর্তমানে নানান জন থেকে ব্যবসার নামে ও চাচারা জায়গাবাড়ি দখল, বাবার অসুস্থতা, সন্তানের মৃত্যু ইত্যাদি নানান পারিবারিক সমস্যা দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা ধার করে পালিয়ে বেড়াচ্ছে মানিক।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান – পাওনাদার ও তার অর্থ কেলেংকারীর শিকার ব্যক্তিদের সাথে সে কিছুদিনের মধ্যেই সবরকম যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করে দেয় এবং অন্য কোন মাধ্যমে যোগাযোগ করতে গেলে নানানরকম আবেগতাড়িত গল্প ও সহানুভূতির আশ্রয় নেয়; পরবর্তীতে মূল বিষয় ফাঁস হলে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার নাম ভাঙিয়ে ভুক্তভোগীকে জীবননাশের হুমকী পর্যন্ত দেয় যার কিছু রেকর্ড পাওয়া গিয়েছে! এ বিষয়ে মানিকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।ভুক্তভোগীরা দেশের প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিদেশে পালিয়ে থাকা প্রতারক মানিক মির্জাকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান।

[recent_tabs]