প্রয়াত অমৃত বড়ুয়া’র বাৎসরিক ক্রিয়া ও জ্যোতি বড়ুয়া’র নিরোগ দীর্ঘায়ু সংঘদান অনুষ্ঠিত

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ

 

সাতকানিয়া লোহাগাড়া উপজেলাধীন বহু সংঘ মনীষার জম্মতীর্থ ঐতিহ্যঋদ্ধ, বৌদ্ধপল্লী বড়হাতিয়া বোধি নিকেতন বৌদ্ধ বিহারের সদ্ধর্মপ্রাণ উপাসক প্রয়াত সুবল বড়ুয়া, সদ্ধর্মপ্রাণ উপাসিকা কালিতাঁরা বড়ুয়া’র জৈষ্ঠ্য পুত্র সদ্ধর্মপ্রাণ উপাসক ও জুয়েল বড়ুয়া মালয়েশিয়া প্রবাসী এবং নয়ন বড়ুয়া দুবাই প্রবাসীর ব্রাহ্মতুল্য পিতা প্রয়াত অমৃত বড়ুয়া’র বাৎসরিক ক্রিয়া (৩য় প্রয়াণ দিবস) ও মমতাময়ী মাতা জ্যোতি বড়ুয়া’র নিরোগ দীর্ঘায়ু জীবন এবং পরিবারের সর্ববিধ সঙ্গল সুখ কামনায় অষ্টপরিস্কারসহ মহতি সংঘদান ও জ্ঞাতীভোজন গত ২১ ডিসেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দানোনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পাথরঘাটা মাহাবোধি বিহার কমপ্লেক্স ও আন্তর্জাতিক ভাবনা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ভদন্ত লোকানন্দ মহাস্থবির।

উদ্ধোধক ছিলেন বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার প্রাক্তন যুগ্ম মহাসচিব ও বড়হাতিয়া বোধিনিকেতন বিহারের অধ্যক্ষ সুদেশক ভদন্ত শুদ্ধানন্দ মহাস্থবির।প্রধান অতিথি ছিলেন চেঁদিরপুনি নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ জ্যোতিপাল মহাস্থবির।

প্রধান সদ্ধর্মদেশক ছিলেন সাতকানিয়া – লোহাগাড়া ভিক্ষু সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও মছদিয়া জ্ঞান বিকাশ বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত ধর্মতিলক স্থবির, আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ উন্নয়ন সংস্থা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সংগঠক জে বি এস আনন্দবোধি স্থবির, বিজিএস সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত প্রজ্ঞাবোধি স্থবির, সুরিয়তিলক, ভিক্ষু, কান্তিতিলক ভিক্ষু, নন্দবোধি ভিক্ষু ও শ্রামণসহ অনেক জ্ঞাতী স্বজন উপস্থিত থেকে প্রয়াত জ্ঞাতীগণের স্মরণে পুণ্যদান ও উংসর্গ করেন।

Previous article
চসিক মেয়রের সাথে চট্টগ্রাম বন্দর মেরিন কন্ট্রাক্টার পাহারাদার কল্যাণ সমিতির সৌজন্য সাক্ষাত দেশের উন্নয়নের স্বার্থে বন্দরের উন্নয়ন করা অনস্বীকার্য – ডা: শাহাদাত হোসেন স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম থেকে : আজ ২২ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে চট্টগ্রাম বন্দর মেরিন কন্ট্রাক্টার পাহারাদার কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ডাক্তার শাহাদাতের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। মেরিন কন্ট্রাক্টার পাহারাদার কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ উচ্চ আদালতের ২০০৯ সালে মহামান্য হাইকোর্ট সমিতির পক্ষে রায় প্রদান করেন। মামলার রায় সম্পর্কে মেয়রকে লিখিত আকারে সমিতির নেতৃবৃন্দরা অবহিত করেন। তার উত্তরে মাননীয় মেয়র সমিতির নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করে বলেন, বন্দর কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এবং সমিতির সদস্যদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিশ্চয় দাবি মেনে নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। অচিরেই তিনি বন্দর কর্তৃপক্ষের সামনে এ বিষয়ে আলোচনা করবেন বলে আশ্বস্ত করেন নেতৃবৃন্দকে। তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর আওয়ামী স্বৈরাচারীর দোসররা স্মার্গ্লিং-এর নিরাপদ স্থান বলে ব্যবহার করেছে। বর্তমানে আমরা তা কখনো হতে দেবো না। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে বন্দরের উন্নয়ন করা অনস্বীকার্য। কারণ এটি একে অপরের পরিপূরক। আন্তর্জাতিক বন্দর হিসেবে সমিতির সকল সদস্যদের উপযুক্ত ও ন্যায্য পাওনাসহ মজুরির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদন্ড হওয়া উচিত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মোহাম্মদ মনির হোসেন, মো: কামরুল হাসান, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, মো: গিয়াস উদ্দিন, মোঃ মজিদ, মোঃ ফারুক হোসেন, মোহাম্মদ আজম, মোহাম্মদ ইয়াসিন, প্রমুখ। এ সময় নেতৃবৃন্দ কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে মাননীয় মেয়রকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
Next article
[recent_tabs]