, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 31° সে. | 💧 আদ্রতা 69%

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেস

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-কক্সবাজার রেলপথে যাত্রীসেবা বাড়াতে আরও একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এর অংশ হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, পরিকল্পনা অনুযায়ী সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে বর্ধিত রুটে মহানগর এক্সপ্রেসের চলাচল শুরু হতে পারে।

রেলওয়ে কর্মকর্তারা বলছেন, কক্সবাজারে রেল যোগাযোগ চালুর পর থেকে এ পথে যাত্রীদের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। বাড়তি চাহিদা বিবেচনায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে পৃথকভাবে দুই জোড়া করে আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করছে।

প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেস রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজারে পৌঁছাতে পারে। ফিরতি যাত্রায় ট্রেনটি সকাল ৯টার দিকে কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছাড়ার প্রস্তাব রয়েছে। এতে ঢাকা থেকে কক্সবাজার যেতে আনুমানিক সাড়ে ৯ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

বর্তমানে মহানগর এক্সপ্রেস রাত ৯টা ২০ মিনিটে কমলাপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে। পথে বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও কুমিরাসহ বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি রয়েছে। কক্সবাজার পর্যন্ত রুট সম্প্রসারণ করা হলে এসব এলাকার যাত্রীরাও সরাসরি পর্যটন নগরীতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

তবে নতুন রুটে ট্রেন চালুর আগে কক্সবাজারে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনাগত সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতাগুলো পর্যালোচনা করছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর সময়সূচি ও সেবা নিয়েও যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। বর্তমানে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করলেও একটি রেক দিয়ে চারটি ট্রেন পরিচালনা করায় বিভিন্ন সময়ে সময়সূচিতে বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সুজিত বিশ্বাস জানান, কক্সবাজার রুটে যাত্রীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সেই চাহিদা বিবেচনায় মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। এতে যাত্রীদের জন্য যাতায়াত আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে এবং রেলওয়ের রাজস্বও বাড়তে পারে।

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত