, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 31° সে. | 💧 আদ্রতা 69%

অক্টোবর থেকে বাংলা কিউআরে সব মার্চেন্ট পাবেন প্রণোদনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলা কিউআরভিত্তিক ডিজিটাল লেনদেন আরও সম্প্রসারণে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী অক্টোবর থেকে ট্রেড লাইসেন্সধারী সব মার্চেন্ট পয়েন্ট বাংলা কিউআরের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণের লেনদেনে প্রণোদনার আওতায় আসবে।

২৭ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে প্রণোদনা-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলার তালিকাতেও একই নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থায় বাংলা কিউআরভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান লেনদেনের মূল্যের শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাবে। সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত যোগ্য লেনদেনে এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ ১ হাজার টাকার একটি যোগ্য লেনদেনে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান ১ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান ২ টাকা প্রণোদনা পাবে। দুই প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট প্রণোদনা হবে ৩ টাকা। একইভাবে ২ হাজার টাকার লেনদেনে সম্মিলিত প্রণোদনা সর্বোচ্চ ৬ টাকা হতে পারে।

তবে এই অর্থ সরাসরি গ্রাহককে দেওয়া হবে না। বাংলা কিউআরভিত্তিক মার্চেন্ট নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতেই এ প্রণোদনা কাঠামো করা হয়েছে।

ব্যর্থ লেনদেনে ৩০ মিনিটের মধ্যে টাকা ফেরত

এদিকে বাংলা কিউআর লেনদেনে গ্রাহকের অভিযোগ ও বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য পৃথক নির্দেশনাও জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘Guidelines on Dispute Resolution for Bangla QR (Merchant Payment) Transactions’ শীর্ষক নির্দেশনাটি আগামী ১ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বাংলা কিউআর লেনদেন ব্যর্থ হওয়ার পরও গ্রাহকের হিসাব থেকে টাকা কেটে গেলে এবং মার্চেন্ট অর্থ না পেলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা এমএফএস প্রতিষ্ঠানকে গ্রাহকের অভিযোগের অপেক্ষা না করে অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত দিতে হবে। এ রিফান্ড তাৎক্ষণিকভাবে অথবা সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

এ ছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্পত্তি সম্ভব নয়—এমন বিরোধের ক্ষেত্রে অভিযোগ গ্রহণ, যাচাই ও নিষ্পত্তির জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা রাখা হয়েছে। লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী এনপিএসবির মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি, মার্চেন্ট রিফান্ড এবং অননুমোদিত বা প্রতারণামূলক লেনদেনের ক্ষেত্রেও আলাদা প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

লেনদেনের অবস্থা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দ্রুত তথ্য যাচাইয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এতে কারিগরি সমস্যার কারণে লেনদেনের ফলাফল নিয়ে বিভ্রান্তি কমানোর পাশাপাশি গ্রাহকের অর্থ ফেরত ও অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া দ্রুত করার লক্ষ্য রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না করা বা যৌক্তিক কারণ ছাড়া গ্রাহকের দাবি প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, এমএফএস বা পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী তদারকি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত