, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 31° সে. | 💧 আদ্রতা 63%

কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে তিন দিনের পর্যটন উৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী পর্যটন উৎসব। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়ে এ আয়োজন চলবে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সৈকতের লাবণী পয়েন্টের উন্মুক্ত মঞ্চে থাকছে পর্যটন মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচি।

আয়োজকদের মতে, কক্সবাজারের পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন সৈকত, পরিবেশ সুরক্ষা, পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং স্থানীয় সংস্কৃতিকে সামনে আনাই এবারের আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। তিন দিনের কর্মসূচিতে সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযান, লোকজ ও ফোক সংগীত, ফায়ার শো, ব্যান্ড পরিবেশনা, র‌্যালি, ঘুড়ি উৎসব এবং লাইফগার্ড ও ফার্স্ট এইড সেবার প্রদর্শনী রাখা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে সৈকত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে উৎসবের কর্মসূচি শুরু হবে। পরে পর্যটন মেলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের উদ্বোধন হবে। বিকেল থেকে থাকছে লোকজ সংগীত, ফায়ার শো ও ব্যান্ড সংগীতের পরিবেশনা।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর)ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি বিকেলে থাকবে সূফি ও কাওয়ালি গান, ফোক ও ডুয়েট গান। রাতে আয়োজন করা হবে মিউজিক্যাল নাইট।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব পর্যটন দিবসের মূল আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। সকালে সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হবে। এরপর পর্যটন দিবসের তাৎপর্য ও কক্সবাজারের পর্যটন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

দিনের পরবর্তী আয়োজনে রয়েছে ঘুড়ি উৎসব, পর্যটকদের নিরাপত্তায় লাইফগার্ডের জরুরি সেবা ও ফার্স্ট এইড প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। পাশাপাশি রাখাইন নৃত্যসহ বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা থাকবে।

কক্সবাজার বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সমন্বয়ক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান জানান, এবারের আয়োজনের মাধ্যমে আগের উৎসবের আমেজ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটিকে সামনে রেখে ২৫ সেপ্টেম্বর থেকেই কর্মসূচি শুরু করা হচ্ছে এবং ২৭ সেপ্টেম্বর দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন করা হবে।

এবারের বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, তিন দিনের এ আয়োজন পর্যটকদের বিনোদনের পাশাপাশি কক্সবাজারের পর্যটন সম্ভাবনা, নিরাপদ ভ্রমণ এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত