, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 27° সে. | 💧 আদ্রতা 96%

এক্সিলারেট টার্মিনাল বন্ধ, বাড়তে পারে গ্যাসসংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক

নতুন এলএনজি কার্গো না আসায় কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল থেকে টার্মিনালটি সরবরাহ বন্ধ করে দেয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

এর আগে কয়েক দফা সমস্যার পর গত শনিবার সামিটের টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় এবং এক্সিলারেটের টার্মিনাল আংশিকভাবে চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছিল। এতে দীর্ঘদিনের গ্যাসসংকট পরিস্থিতির উন্নতির আশা তৈরি হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুরে দুই টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৬৬১ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ হচ্ছিল। পরে এক্সিলারেটের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে রাতের দিকে আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহ কমে প্রায় ৫৬১ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসে।

মহেশখালীতে থাকা দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটি পরিচালনা করছে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি এবং অন্যটি সামিট এলএনজি। টার্মিনাল দুটির সম্মিলিত দৈনিক রিগ্যাসিফিকেশন সক্ষমতা প্রায় ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

পেট্রোবাংলা ও জ্বালানি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এক্সিলারেটের টার্মিনালটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়নি; বরং নতুন এলএনজি কার্গো না আসায় টার্মিনালে সরবরাহযোগ্য মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়েছে।

পেট্রোবাংলার আগের দেওয়া সূচি অনুযায়ী, আগস্টে দেশে একাধিক এলএনজি কার্গো আসার কথা রয়েছে। ১৩ আগস্ট পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, চলতি মাসে অতিরিক্ত পাঁচটি কার্গো আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এগুলো ১৭, ২১, ২৩, ২৭ ও ৩০ আগস্ট দেশে পৌঁছানোর কথা।

এদিকে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকদের ওপর। বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলে গ্যাসের চাপ কম থাকায় বিভিন্ন খাতে সংকট অব্যাহত রয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে আগামী কয়েক দিনে পরিস্থিতি আরও কঠিন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত