, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 31° সে. | 💧 আদ্রতা 63%

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নিয়োগপত্র নিয়ে মন্ত্রীর নতুন বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণদের মধ্যে যারা এখনো নিয়োগপত্র পাননি, তাদের বিষয়ে বার্তা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের বিষয়টি পরবর্তী সময়ে যাচাই করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর বিষয়টি নজরে এসেছে। সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন বা ভেটিং একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও ভেরিফিকেশনের কারণে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা পুনরায় নথি যাচাই ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ চেয়ে পাঁচ দফা দাবি জানান। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা এসব দাবি তুলে ধরেন।

প্রার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া ব্যক্তিদের নথি পুনরায় স্বচ্ছভাবে যাচাই, আত্মপক্ষ সমর্থন ও প্রশাসনিক আপিলের সুযোগ, তথ্যগত বা প্রশাসনিক ভুল সংশোধন এবং নিয়োগপত্র আটকে থাকা চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্তদের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। পাশাপাশি নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বাদ পড়ার কারণও স্পষ্টভাবে জানানোর দাবি করা হয়েছে।

প্রার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা কোনো অনিয়মকারী বা অযোগ্য ব্যক্তির নিয়োগের পক্ষে নন। তবে প্রশাসনিক ত্রুটি বা ভুল তথ্যের কারণে কোনো যোগ্য প্রার্থী বাদ পড়ে থাকলে তার বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সুযোগ থাকা উচিত বলে তারা মনে করেন। এটি প্রার্থীদের পক্ষের দাবি; এর সত্যতা বা প্রতিটি বাদ পড়ার কারণ কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের বিষয়।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছিল চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি। প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ওই নিয়োগপ্রক্রিয়ায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।

নিয়োগের পরবর্তী ধাপে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ডোপ টেস্ট ও প্রশাসনিক যাচাইসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। ভেরিফিকেশন-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কিছু চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এ অবস্থায় মন্ত্রীর সর্বশেষ বক্তব্যে ১ অক্টোবর পর্যন্ত নিয়োগপত্র প্রদান এবং এরপরও যারা তা পাবেন না, তাদের বিষয়টি যাচাই করে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত