, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 31° সে. | 💧 আদ্রতা 63%

রমজানে খাদ্যসংকটের শঙ্কা নেই: খাদ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন রমজানে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। তবে বাড়তি চাহিদা, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা বিবেচনায় নিয়ে এখন থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

শনিবার চট্টগ্রাম জেটি ও সাইলো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। পরে তিনি দেওয়ানহাট কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগার (সিএসডি) পরিদর্শন করেন এবং হালিশহর সিএসডির সম্মেলনকক্ষ উদ্বোধন করেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, রমজানে খাদ্যপণ্যের সম্ভাব্য চাহিদা নির্ধারণ, আমদানি ও দেশীয় সংগ্রহ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের সংকটসহ বিভিন্ন কারণে পণ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকি থাকায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম পরিকল্পনা জরুরি।

তিনি জানান, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও স্বার্থ বিবেচনায় রেখে বাজারে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি আমদানি প্রক্রিয়ার জটিলতা কমানো, নির্ধারিত সময়ে খাদ্যপণ্য দেশে পৌঁছানো এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত থাকলেও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুষ্ঠু সংরক্ষণ, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও সময়মতো বিতরণ অপরিহার্য। খাদ্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে গুদামজাতকরণ ও সরবরাহের প্রতিটি ধাপে সমন্বয় বাড়ানো গেলে অপচয়, সময়ক্ষেপণ এবং অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয় কমানো সম্ভব।

চট্টগ্রাম জেটি ও সাইলো পরিদর্শন প্রসঙ্গে আফরোজা খানম বলেন, সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর কার্যকারিতা, চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি এবং খাদ্য সংরক্ষণের সীমাবদ্ধতা সরেজমিনে পর্যালোচনা করা হয়েছে। চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাদ্য সংরক্ষণাগারগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, মজুত খাদ্যের মান পরীক্ষা, যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘদিন অব্যবহৃত স্থাপনাগুলো পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে গুদামভিত্তিক মজুতের সঠিক হিসাব ও নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

পরিদর্শনকালে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত