, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 32° সে. | 💧 আদ্রতা 59%

১৭ দিনের সম্পর্কের পরিণতি কি তাজমিনের মৃত্যু?

নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় সামনে এসেছে নতুন তথ্য। ফেসবুকে পরিচয়ের মাত্র ১৭ দিনের মাথায় রাজু চৌধুরী নামে এক যুবকের সঙ্গে কক্সবাজারে গিয়েছিল ১৫ বছর বয়সী তাজমিন।

সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকের বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চালক সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের পর রাজুর সঙ্গে তাজমিনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর রাতে দুজনকে কক্সবাজারের একটি ট্রাভেল এজেন্সির কাউন্টারে দেখা যায়। পরদিন দুপুরে আইকনিক এক্সপ্রেসের বাসে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয় তাজমিন।

বাস থেকে নামার পর বাড়ি ফেরার জন্য অটোরিকশা ভাড়া করেছিল সে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চালক সুমন মিয়া তাকে নির্ধারিত গন্তব্যে না নিয়ে অন্য পথে লালমাই উপজেলার একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে তাজমিনকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যার কথা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পরদিন সকালে লালমাই উপজেলার ধানক্ষেত থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চট্টগ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোনও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, তাজমিনের কক্সবাজার যাত্রা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য সামনে এলেও রাজু চৌধুরীর বিরুদ্ধে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে, এমন তথ্য প্রকাশিত হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পরিবারের কাছে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়া কিশোরীটির এমন পরিণতিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্বজনদের মধ্যে। তাজমিন হত্যার ঘটনায় তদন্ত ও পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত