, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 28° সে. | 💧 আদ্রতা 87%

উচ্ছেদের পরও দখলমুক্ত হলো না ফুটপাত, কয়েক ঘণ্টাতেই ফিরল ভাসমান দোকান

নিজস্ব প্রতিবেদক

নগরের কোতোয়ালি থানার জামালখান, মোমিন রোড ও আন্দরকিল্লা এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ টং দোকানের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ১০০টি অবৈধ টং দোকান উচ্ছেদ করা হয়।

চসিকের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সোয়েব উদ্দিন খানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ফুটপাত ও সড়কের ওপর স্থাপিত দোকানগুলো সরিয়ে পথচারীদের চলাচলের জায়গা উন্মুক্ত করা হয়। অভিযানে তিনটি টং দোকান জব্দ করা হয়। পাশাপাশি ফুটপাত দখল ও জনসাধারণের চলাচলে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১০টি মোটরবাইক এবং ‘সাদিয়াস কিচেন’ ও ‘জুসবার’-সহ চারটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এসব ঘটনায় মোট ২৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

চসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আজিজ আহমদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে অভিযানের পরপরই পরিস্থিতির বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, উচ্ছেদের অল্প সময়ের মধ্যেই সড়ক ও ফুটপাতে আবারও ভাসমান দোকান বসতে শুরু করে।

আন্দরকিল্লা থেকে চেরাগী মোড় পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন পণ্য নিয়ে ভ্যানগাড়িতে ব্যবসা করতে দেখা যায়। আন্দরকিল্লা মোড়ের একটি বড় অংশও সবজি বিক্রেতাদের দখলে থাকায় সড়কের কার্যকর প্রস্থ কমে যায়। এতে যানবাহন চলাচলে ধীরগতি তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পথচারীদেরও দুর্ভোগে পড়তে হয়।

নগরের ব্যস্ত সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে নিয়মিত অভিযান চালানো হলেও উচ্ছেদের পর একই স্থানে ফের দোকান বসার প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ফলে শুধু উচ্ছেদ নয়, উচ্ছেদ-পরবর্তী নজরদারি ও স্থায়ী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত না হলে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে—এ নিয়েও আলোচনা রয়েছে।

চসিক জানিয়েছে, নগরবাসীর চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত