জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্যের অসঙ্গতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে বেতন-বোনাস থেকে বঞ্চিত শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া অর্থ পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্যানেলে নির্দিষ্ট মাসের বেতন ও বোনাস সাবমিটের নতুন অপশন চালু করা হয়েছে।
মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী, আগস্ট ২০২৫ থেকে জুন ২০২৬ সালের মধ্যে এনআইডি-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে যেসব শিক্ষক-কর্মচারী এক বা একাধিক মাসের বেতন কিংবা বোনাস পাননি, তাদের বকেয়া বিল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্যানেল থেকে সাবমিট করা যাবে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল স্বাক্ষরিত সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের এমপিও বিল সাবমিট-সংক্রান্ত নির্দেশনায় বিষয়টি জানানো হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ে বেতন বিল সাবমিট করার পর ব্যাংক-সংক্রান্ত তথ্যের ভুলের কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওর অর্থ ব্যাংকে জমা না হয়ে ফেরত এলে সেটিকে বকেয়া বিল হিসেবে পুনরায় সাবমিট করার প্রয়োজন নেই। এ ধরনের অর্থ ‘EFT Salary Bounce’ অপশনের আওতায় ফেরত আসে।
এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীর নাম ‘EFT Salary Bounce’ তালিকায় যুক্ত হওয়ার পর ব্যাংক-সংক্রান্ত সঠিক তথ্য সংশোধন করা হলে ফেরত আসা অর্থ পুনরায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
মাউশি জানিয়েছে, আগামী ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের এমপিও বিল সাবমিট করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের প্যানেলে যুক্ত থাকা আগস্ট ২০২৫ থেকে জুন ২০২৬ পর্যন্ত বকেয়া মাসগুলোর বিলও মাসভিত্তিক সাবমিট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নির্দেশনা দিয়েছে মাউশি।
ইতি/
