চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে ভোজ্যতেলের পাইকারি দামে কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে সয়াবিন ও পাম তেলের দাম মণপ্রতি প্রায় ১০০ থেকে ১৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে ৩৭ দশমিক ৩২ কেজির এক মণ সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে ৭ হাজার ৩৭০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে একই পরিমাণ সয়াবিন তেলের দাম ছিল ৭ হাজার ৫০০ টাকা। একই সময়ে পাম তেলের মণপ্রতি দর নেমে এসেছে ৬ হাজার ৫২০ টাকায়।
তবে পাইকারি বাজারে দাম কমলেও এর প্রভাব এখনো খুচরা পর্যায়ে দেখা যায়নি। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাহিদা ও সরবরাহের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতিও ভোজ্যতেলের দামের ওপর প্রভাব ফেলছে।
খাতুনগঞ্জ আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, খোলা পণ্যের দাম মূলত চাহিদা-জোগান ও মৌসুমি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমা এবং দেশে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় পাইকারি দামে কিছুটা নিম্নমুখী চাপ তৈরি হয়েছে।
তিনি জানান, এর আগে ভোজ্যতেলের দাম কিছুটা বেড়েছিল। চলতি সপ্তাহে মণপ্রতি ১০০ থেকে ১৩০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর ভোজ্যতেলের পাইকারি দাম কমার বিষয়টিকে তিনি ভোক্তাদের জন্য ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ৬৫ হাজার ৯৫৬ টন ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে পাম তেল ৫০ হাজার ৮৯৬ টন এবং সয়াবিন তেল ১৫ হাজার ৬১ টন।
এর আগে সেপ্টেম্বরের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজার ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
ইতি/
