এলপিজি গ্যাসের দাম ও বিভিন্ন চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে বাজারে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সরবরাহ সংকটের কারণে অনেক গ্রাহককে বাড়তি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে।
গত ৪ অক্টোবর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তবে নির্ধারিত মূল্য কার্যকর থাকার পরও বাজারে অতিরিক্ত দাম আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। কোথাও কোথাও সিলিন্ডারপ্রতি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এলপিজি সরবরাহকারীদের দাবি, চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার সরবরাহ না পাওয়া, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং পরিচালন খরচের কারণে বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অর্ডারের তুলনায় কম সিলিন্ডার সরবরাহ পাওয়ায় স্বাভাবিক বিতরণব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে এলপিজি খাতে বোতলজাতকরণ চার্জ এবং পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়ানোর প্রস্তাব সামনে এসেছে। প্রস্তাবে পরিবেশকদের কমিশন সিলিন্ডারপ্রতি ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা করার কথা বলা হয়েছে।
দাম ও বিভিন্ন চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাবের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট খাত। তবে নির্ধারিত দামে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করা, বাজারে অতিরিক্ত মূল্য আদায় বন্ধ করা এবং সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার বিষয়গুলো এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ইতি/
