এক মাসের ব্যবধানে অস্বাভাবিকভাবে বিদ্যুৎ বিল বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গ্রাহকরা। অনেকের দাবি, জুন মাসের তুলনায় জুলাইয়ে তাঁদের বিদ্যুৎ বিল দুই থেকে চার গুণ পর্যন্ত বেড়েছে। অতিরিক্ত বিলের কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানির কার্যালয়ে গেলেও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা বা দ্রুত সমাধান মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
গ্রাহকদের অভিযোগ, জুনে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় দাম বাড়ানোর পর থেকেই অনেক এলাকায় প্রত্যাশার তুলনায় বেশি বিল আসতে শুরু করে। জুলাই মাসেও একই ধরনের অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে।
বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিভিন্ন আঞ্চলিক কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, অতিরিক্ত বিল, প্রিপেইড মিটারের ব্যালেন্সের অসংগতি এবং বিল সংক্রান্ত অন্যান্য সমস্যা নিয়ে প্রতিদিনই অভিযোগ জানাতে আসছেন গ্রাহকরা।
একাধিক ভুক্তভোগীর দাবি, মিটারে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ রিচার্জ করার পরও প্রত্যাশিত ব্যালেন্স দেখাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে একাধিক দপ্তরে যোগাযোগ করেও কার্যকর সমাধান পাননি তারা।
এদিকে, জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত বিলের অভিযোগের প্রকৃত কারণ নির্ধারণে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিতরণ কোম্পানিগুলোকে অভিযোগ যাচাই করে দ্রুত সমাধান দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট কোনো গ্রাহক অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ করলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সামগ্রিক অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ইতি/
