, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 29° সে. | 💧 আদ্রতা 78%

ঢাকা ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় হঠাৎ বিদ্যুৎ বিভ্রাট

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামের একাংশে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। 

মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজধানীর মগবাজার, বনশ্রী, খিলগাঁওসহ পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় সচিবালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাতেও।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি জানিয়েছে, ঢাকার পূর্বাঞ্চলের পাশাপাশি চট্টগ্রামের একটি অংশেও বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। তবে এ বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

সংস্থাটি জানায়, ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, উলন ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রকৌশলীরা ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের কাজ করছেন। জাতীয় গ্রিডের কার্যক্রম জাতীয় লোড ডেসপ্যাচ সেন্টারের (এনএলডিসি) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে দেশের উত্তরাঞ্চলসহ অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৬০১ মেগাওয়াট। বিপরীতে উৎপাদন হয়েছিল ১৪ হাজার ৩০৩ মেগাওয়াট। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় উৎপাদন ঘাটতি ছিল ২৯৮ মেগাওয়াট। তবে এই ঘাটতির সঙ্গে বর্তমান বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জাতীয় গ্রিডে ত্রুটি দেখা দিলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে। তবে এবারের বিপর্যয়ের সূত্রপাত কোথায় এবং কী কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়েছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

বাংলাদেশে এর আগেও জাতীয় গ্রিডে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। ২০২২ সালের ৪ অক্টোবর দুপুর ২টা ৫ মিনিটে পূর্বাঞ্চলীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহসহ দেশের বড় একটি অংশ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। পরে বিভিন্ন এলাকায় তিন থেকে আট ঘণ্টার মধ্যে ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। ওই ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।

এর আগে ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে সারা দেশে প্রায় ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।

এদিকে, নতুন করে দেখা দেওয়া এই বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করাই এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য।

আরু|ইতি

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত