অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য রুটে বাংলাদেশ বিমানের দৈনিক সর্বোচ্চ সাতটি ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। যাত্রী চাহিদা ও সক্ষমতা বিবেচনায় এ সংখ্যা বাড়িয়ে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৪টি করার পরিকল্পনা রয়েছে।
জাতীয় পতাকাবাহী বিমানের সক্ষমতা বাড়িয়ে বিদেশি এয়ারলাইনসের ওপর বাংলাদেশি যাত্রীদের নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
এদিকে অভ্যন্তরীণ রুটে নতুন করে বড় পরিসরে ফ্লাইট বাড়ানোর পরিকল্পনা না থাকলেও যশোর রুটে দুটি ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি কম খরচে যাত্রী পরিবহনের জন্য বাজেট এয়ারলাইন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে বগুড়ায় নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু হলে পর্যটননগরীটির সঙ্গে সরাসরি আন্তর্জাতিক আকাশ যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইতি/
