চট্টগ্রামের বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে ঘিরে ঘুষ-বাণিজ্য ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিদেশগমনেচ্ছু প্রশিক্ষণার্থীদের অভিযোগ, পেশাগত দক্ষতার সনদ পেতে তাদের কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে।
সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি ভিডিওতে সনদ দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ লেনদেনের কথোপকথন সামনে আসে। ভিডিওতে থাকা ইরফান চৌধুরী ওই কেন্দ্রের ইনস্ট্রাক্টর ইমরান চৌধুরীর ভাই বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, তার মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়।
এ ছাড়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আশপাশের কয়েকটি কম্পিউটার দোকান ও দালালের বিরুদ্ধেও টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। একটি ভিডিওতে এক দোকানদারকে পরীক্ষার্থীর কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করতে শোনা যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্টরা। ইরফান চৌধুরী ফাঁস হওয়া ভিডিওকে ‘ফেক’ দাবি করে এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে ইরফানের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন—পিবিআই।
সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে নির্দিষ্ট পেশায় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় তাকামুল বা পেশাগত দক্ষতার সনদ নিতে এই কেন্দ্রে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক বিদেশগমনেচ্ছু পরীক্ষা দেন। সেই প্রক্রিয়াকে ঘিরে ওঠা ঘুষের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
ইতি/
