, |

চট্টগ্রাম - 🌤️ 28° সে. | 💧 আদ্রতা 89%

চট্টগ্রামে ৫৫তম জশনে জুলুস, নগরজুড়ে ধর্মীয় আবহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ৫৫তম জশনে জুলুস। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল থেকে নগরের বিভিন্ন সড়কে ধর্মীয় আবহ তৈরি হয়েছে। জুলুসকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়গুলো সাজানো হয়েছে তোরণ, ব্যানার ও পতাকায়।

আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ জশনে জুলুসে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশিন পীর আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ সাবির শাহ। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে রয়েছেন সাহেবজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ কাসেম শাহ ও শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ আকিব শাহ।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৮টার দিকে ষোলশহরের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকা থেকে জুলুস শুরু হয়। নগরের প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা প্রদক্ষিণ করে এটি আবার জামেয়া মাদরাসা মাঠে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে মাহফিল, জোহরের নামাজ ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন রয়েছে।

জুলুসকে ঘিরে নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ও দর্শনার্থী অংশ নিচ্ছেন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এবারের আয়োজনেও বড় ধরনের জনসমাগম হবে। তবে ‘৫০ লাখের বেশি’ মানুষের যে সংখ্যা বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে, সেটি আয়োজকদের প্রত্যাশা, কোনো সরকারি গণনা নয়।

জশনে জুলুসের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মুসল্লিদের সুবিধার্থে মাদরাসা ও আশপাশের এলাকায় অস্থায়ী শৌচাগারসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আয়োজকদের স্বেচ্ছাসেবকেরাও দায়িত্ব পালন করছেন।

আয়োজকদের ভাষ্য, জশনে জুলুসের অন্যতম উদ্দেশ্য মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ, শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতির বার্তা মানুষের কাছে তুলে ধরা। তাঁদের মতে, ধর্মীয় এই আয়োজনের মাধ্যমে মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য ও মানবিক মূল্যবোধ জোরদারের বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রামে জশনে জুলুস আয়োজনের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৪ সালে এ জুলুসের সূচনা হয়। এরপর প্রতিবছর ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে নগরে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

ইতি/

আরও পড়ুন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত